x

এইমাত্র

  •  তিন পার্বত্য জেলায় সেনাবাহিনীর ছেড়ে যাওয়া ক্যাম্পে পুলিশ মোতায়েন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  •  মিয়ানমারে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি, নিহত ৬
  •  ইউপি নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি: ফখরুল

সায়েন্স নিউজের বিশ্বসেরা ১০ বিজ্ঞানীতে বাংলাদেশের তনিমা তাসনিম

প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭:৫৮

জুবাইর হোসাইন সজল

১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান সায়েন্স নিউজ প্রতিবছরের মতো এবারও প্রকাশ করেছে তাদের উদীয়ামান ১০ জন তরুন বিজ্ঞানীর তালিকা। প্রভাবশালী মার্কিন এই গণমাধ্যটির সেই তালিকায় জায়গা করে নিলেন বাংলাদেশের তনিমা তাসনিম অনন্যা। ষষ্ঠ বারের মত প্রকাশিত এই তালিকা প্রকাশ পায় ৩০ সেপ্টেম্বর। এই তালিকায় তারা উদীয়মান ও ক্যারিয়ারের মাঝামাঝি থাকা সম্ভাবনাময় ১০ জন তরুন বিজ্ঞানীকে নির্বাচিত করেন।

'এসএন টেনঃ সায়েন্টিস্ট টু ওয়াচ' নামক এই তালিকায় তরুন বিজ্ঞানীদের মনোনীত করেন নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীগন।

ঢাকার সাবেক বাসিন্দা ২৯ বয়সী তনিমা একজন মহাকাশ বিজ্ঞানী। তিনি কৃষ্ণগহ্বরের পূর্ণাঙ্গ চিত্র এঁকেছেন। তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে কৃষ্ণগহ্বর বেড়ে উঠে এবং পরিবেশে কী প্রভাব রাখে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে তিনি এই কাজ করেছেন।

বর্তমানে তিনি ডার্ট মাউথ কলেজের একটি পোস্টডক্টোরালের গবেষনা সহযোগী হিসেবে কর্মরত। ব্রায়ান মাওরে পড়ে তিনি এখন ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ২০১৯ সালে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।

তনিমা তাসনিম এর আগে নাসা ও সার্নে ইন্টার্নশিপ করেছেন। এছাড়াও কেমব্রীজ বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিন লেখাপড়া করেছেন। 

সায়েন্স নিউজের ওয়েবসাইটে লেখা হয়েছে, পাঁচ বছর বয়সে ঢাকায় থাকার সময় থেকেই তনিমা তাসনিমের মধ্যে মহাকাশের স্বপ্ন বুনে দেন তাঁর মা।  তিনি মেয়েকে তখন শোনাতেন মঙ্গলে অভিযানে যাওয়া পাথফাইন্ডার মহাকাশযানের গল্প। সেই থেকেই বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বাড়তে থাকে তনিমার। 

তিনি জানান, ওই সময় থেকেই মহাকাশবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করার স্বপ্ন দেখতেন।

তিনি আরো বলেন, তিন পাঁচ বছর বয়সে যখন ঢাকায় ছিলেন, তখন তার মা তাকে মঙ্গল গ্রহে পাথফাইন্ডার মহাকাশযানের অবতরণের কথা বলেছিলেন। তনিমার মা গৃহবধূ হলেও বিজ্ঞানের বিষয়ে তার কৌতূহল ছিল এবং তনিমার কৌতূহলকে তিনি উৎসাহিত করেছিলেন। 

“যখন আমি বুঝতে পারি যে মহাবিশ্বে আরও অন্যান্য জগত রয়েছে, আমি তখনই জ্যোতির্বিজ্ঞান অধ্যয়ন করতে চেয়েছিলাম।” 

বাংলাদেশে এই বিষয়ে পড়ার সুযোগ না থাকায় আমি পেনসিলভানিয়ার ব্রায়ান মাওর কলেজে পড়তে স্নাতক পর্যায়েই যুক্তরাষ্ট্রে চলে এসেছিলাম। 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত