x

এইমাত্র

  •  বিসিবির সাথে আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে: সাকিব আল হাসান
  •  ক্রিকেটারদের বেশিরভাগ দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে, দ্রুত কার্যকর করা হবে: নাজমুল হাসান পাপন
  •  শনিবার থেকে মাঠে ফিরছেন ক্রিকেটাররা
  •  দুইদিন পিছিয়ে জাতীয় লিগের তৃতীয় রাউন্ড শুরু শনিবার

নতুন করে পরিচিত হই লেমিং এর সাথে

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৬:২৯

সাহস ডেস্ক

অনেকেই আমরা পশু-পাখি ভালোবাসি৷ তাদের নিয়ে পড়াশোনাও করে থাকি কেউ কেউ৷ তবে এসবের মাঝেও বেশ কিছু প্রাণী লুকিয়ে থাকে যাদের হদিশ পাওয়া দুষ্কর৷ তাদের মধ্যেই একটি প্রাণী হল লেমিং৷ যারা নামটা জানেন তাদের জন্য বিশেষ কিছু আড়ম্বর করে বলার প্রয়োজন নেই৷ তবে যারা জানেন না বা এই প্রথম শুনলেন নামটি তাদের জন্যই এই প্রতিবেদনটি৷

রোডেন্ট জাতীয় প্রাণী লেমিং৷ বলতে পারেন আমাদের চেনা এক বাহনের সঙ্গে বেশ মিল তার৷ চারিদিকে ঘুরে বেড়ানো ইঁদুরদের দূর সম্পর্কের কোনও তুতো ভাইও বলা চলে৷ দেখতে অনেকটাই ইঁদুরের মত৷ যদিও বেশ লোমশ আর মুখটা অনেকটা গোল৷ চেহারাতেও বেশ নাদুসনুদুস ছাপ পাবেন৷ তবে লেমিংদের নামে একটা ভুল তথ্য অনেকের কাছেই রয়েছে৷ তারা নাকি খাদ্যাভাব কমাতে জলে ঝাঁপ দিয়ে আত্ম-বলিদান করে থাকে৷ সেটা কিন্তু একদমই ঠিক কথা নয়৷ ওরা মোটেই এমন বোকা নয়৷ কোনও পশুই নিজে থেকে মরতে চায়? চায় না৷ তাই লেমিং-ই বা কেন চাইবে?

বরং উল্টোটা হয়৷ তারা যতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যেতে থাকে৷ বাঁচার জন্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা করাই ওদের প্রাকৃতিক স্বভাব৷ সহজে হাল ছাড়তে জানে না ওরা৷ যাই হোক, মূল আলোচনায় ফেরা যাক৷ লেমিংদের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার৷ ওদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে না৷ সব সময় সংখ্যাটা খুব বেশি হয় তাও নয়৷ লেমিং-এর প্রায় প্রতি তিন সপ্তাহে ১৩ টি করে বাচ্চা হওয়া সম্ভব৷ তার ফলে মা-বাবা, ভাই, বোনেরা মিলিয়ে গোটা সংখ্যাটা বাড়তে বাড়তে কোথায় গিয়ে পৌঁছতে পারে বুঝেই দেখুন৷

আর যখনই এমনটা হয়, খুব স্বাভাবিক ভাবেই প্রকৃতির খাবারের ভাণ্ডারে টান পড়ে৷ তখন তাই লেমিংরা আর যৌথ পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকতে পারে না৷ তারা মাইগ্রেট করতে শুরু করে৷ এবার বলুন তো মাইগ্রেশন কাকে বলে? মাইগ্রেশন হল খাবার বা অন্য কোনও বেঁচে থাকার প্রয়োজনে যখন পশু-পাখীরা এক জায়গা থেকে অনেক দূরের কোনও জায়গায় চলে যায় তাকে মাইগ্রেশন বা পরিযান বলে৷ লেমিংরাও ঠিক সেটাই করে৷ তাই অনেকেই ভেবে থাকেন তারা খাদ্যাভাব কমাতে আত্মহত্যা করে৷

অনেক তো হল এদের কথা৷ এবার লেমিংদের ঠিকুজি কুষ্টি দেখা যাক৷ মূলত উত্তর আমেরিকা আর ইউরেশিয়ার উত্তর দিকের ঠাণ্ডা দেশগুলোতে এদের দেখা পাবেন৷ এমনকি শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠবে৷ খুব স্থির জলে একবারে ২০০ মিটার বা ৬৫০ ফুট মত ওরা সাঁতারও কাটতে পারে৷ কিন্তু স্রোতের কাছে হার মানে ওরা৷ কখনও ডুবে যায় তো কখনও স্রোতের টানে অন্য কোথাও চলে যায়৷ আর একেই অনেকে সুইসাইডাল কেস বলে মনে করে থাকে৷ তাহলে ভুল ভাঙল তো! আর যারা জানতেন না তারাও জানলেন৷

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত