x

এইমাত্র

  •  করোনায় আরও ৪১ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৩৭৭৫
  •  খাবারের বিল বিতর্ক: খরচের হিসাব দিল ঢাকা মেডিকেল কর্তৃপক্ষ
  •  মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃত্যু ৫ লাখ ১৮ হাজার, আক্রান্ত ১ কোটিরও বেশি
  •  কানাডায় বিদেশি পর্যটক ঢোকার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে
  •  কারিগরির ডিপ্লোমায় ভর্তি হতে পারবেন সব বয়সীরা

করোনাভাইরাস: ইউরোপে লকডাউনে বাড়ছে গৃহদ্বন্দ্ব ও সহিংসতা

প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২০, ২০:০৬

সাহস ডেস্ক

মহামারির করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীন হলেও বর্তমান এর কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে ইউরোপ। এই কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল হচ্ছে ইউরোপে। এই করোনাভাইরাসের সংক্রামণ ঠেকাতে লকডাউনের মধ্যে ঘরবন্দি হয়ে পড়ায় নারী-পুরুষ বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রীদের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হচ্ছে। বাড়ছে গৃহদ্বন্দ্ব ও সহিংসতার ঘটনা।

এর থেকে বেশি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। এমনকি কখনও কখনও খুনোখুনি পর্যন্ত গড়াচ্ছে। নির্যাতনের হাত থেকে মুক্তি পাচ্ছে না শিশু-কিশোররাও। এ ধরনের পারিবারিক সহিংসতা ফ্রান্সে ইতোমধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০ শতাংশ।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেস, ইতালিসহ পুরো অঞ্চল সিলগালা করে ফেলা হয়েছে। এতে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে কোটি কোটি মানুষ। এই পরিস্থিতিতে পারিবারিক সহিংসতা বৃদ্ধির আশঙ্কা ও সতর্কতা জারি করেছে ইউরোপে সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাগুলো।

জার্মান ফেডারেল অ্যাসোসিয়েশন অব উইমেনস কাউন্সেলিং সেন্টার্স অ্যান্ড হেলপলাইনস (বিএফএফ) বলেছে, ‘এই মুহূর্তে বহু মানুষের জন্য তাদের বাড়িই আর নিরাপদ নয়।’

এএফপি বলেছে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে মনের ওপর চাপ পড়ছে। দুশ্চিন্তা বাড়ছে। নারী ও শিশুদের ওপর পারিবারিক ও যৌন সহিংসতার ঝুঁকিও এতে করে বাড়ছে।

মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো বলছে, এই ঝুঁকি শুধু বাড়িতে সীমাবদ্ধ নেই। স্বেচ্ছায় বন্দী থাকার এই কষ্টের পাশাপাশি সামনের দিনে চাকরির নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমস্যা বাড়বে। এসব সমস্যা ঘরে চাপ বাড়াচ্ছে।

চীনের নারী অধিকার প্রতিষ্ঠান উয়েইপিং জানিয়েছে, ‘করোনার মধ্যে নারীদের ওপর সহিংসতার হার তিন গুণ পর্যন্ত বেড়েছে।’

জার্মান ফেডারেশন বলছে, ‘শিশু-কিশোর ও নারীরা যারা এখন মানসিক ও শারীরিকভাবে পারিবারিক সহিংসতার শিকার হচ্ছে, তাদের আসলে নির্যাতকেরা হাতের কাছে পাচ্ছে।’

ফ্রান্সের প্যারিসের লা ভোয়া ডি লোফোঁর প্রধান মার্টিন বোরসাঁ বলেন, ‘নির্যাতিত শিশু-কিশোরদের এখন দেখার কেউ নেই।’

অধিকারকর্মীরাও এখন উভয়সংকটে। তাদের বড় অংশই বাসা থেকে কাজ করছেন। তারা নির্যাতনের শিকার মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। সহিংসতার শিকার কাউকে আশ্রয় দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নেই।

খবর- এএফপি ও বিএফএফ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত