x

এইমাত্র

  •  করোনা: ৭৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা
  •  করোনায় অর্থনীতির প্রভাব নিয়ে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী
  •  তাবলীগ জামাতে আসা মুসল্লি করোনা আক্রান্ত, পৌর এলাকা লকডাউন
  •  আইসোলেশন শেষে স্ত্রী-কন্যার কাছে ফিরেছেন সাকিব
  •  যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রেকর্ড, একদিনে প্রাণ গেল ১২২৪ জনের

করোনাভাইরাস নামের উৎপত্তি যেভাবে

প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০২০, ১৩:৫৫

সাহস ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়ানো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা ১৩২ জনে পৌঁছেছে।

চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর থেকে পাল্লা দিয়ে দেশটিতে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা বাড়ছে।

১৯৬০ সালে বিজ্ঞানীরা করোনা ভাইরাস আবিষ্কার করেন। করোনাভাইরাস শব্দটি ল্যাটিন নাম করোনা থেকে নেওয়া হয়েছে। ল্যাটিন এই শব্দটির অর্থ হলো মুকুট।

বিজ্ঞানীরা ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে এই ভাইরাসকে অনেকটা ক্রাউন আকৃতির মতো দেখেন। ক্রাউন থেকে মূলত ল্যাটিন করোনা নামকরণ করা হয়েছে। প্রথমদিকে মুরগির মধ্যে সংক্রামক ব্রঙ্কাইটিস ভাইরাস হিসেবে এটি দেখা যায়। পরে সাধারণ সর্দিকাশিতে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এরকম দুই ধরনের ভাইরাস পাওয়া যায়।

ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯-এনসিওভি। এটিও এক ধরনের করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে।

এই ভাইরাসের উপরের অংশ প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি সবার প্রথমে প্রোটিন সংক্রমিত টিস্যুকে আক্রমণ করে। মানবদেহের শ্বাসনালীতে আক্রমণ করায় এই ভাইরাসে রোগী অল্প সময়ের মধ্যে মারা যায়।

ইতোমধ্যে চীনের সীমানা পেরিয়ে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে আরও অন্তত ১৬টি দেশে। বর্তমানে থাইল্যান্ড, তাইওয়ান, জাপান, যুক্তরাজ্য, ইসরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারতে অজ্ঞাত এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত