ভোলার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখরিত

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০১৮, ১৪:৫১

সাহস ডেস্ক

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলো দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠেছে। ঈদের দিন দুপুর থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থীদের ঢল নামে বিনোদনের স্পটলোতে। এদের মধ্যে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসা অধিকাংশরাই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। এখানে শিশু-কিশোর, যুবক-যুবতীরা প্রাণভরে ঈদের আনন্দ উপভোগ করছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

দেখা গেছে, উপজেলা সদরের জেলা পরিষদ চত্বর, সরকারি স্কুলের মাঠ, তুলাতুলী পর্যটন কেন্দ্র, পৌরসভার পুকুর পাড়, বাঘমারা সেতু, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’র সামনের বিনোদন কেন্দ্র, টাউন স্কুল মাঠের সৌন্দর্যমন্ডিত স্থান সর্বত্রই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। এছাড়া লালমোহন উপজেলার সজিব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল পার্ক, চরফ্যাসনের জ্যাকব টাওয়ার, চর কুকরী-মুকরীসহ সর্বত্রই আগতদের ভিড়। দূর-দূরান্ত থেকে পরিবারের সদস্যরা দল বেঁধে ভ্রমণের জন্য আসছেন এখানে। ছেলে বুড়োসহ সব বয়েসী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের পদচারণায় জমজমাট বিনোদন স্থানগুলো।

ঈদের ছুটিতে স্বজনদের কাছে আসা মানুষরা জানিয়েছেন, বছরের অন্যন্য সময়ে জীবিকার জন্য অন্যত্র থাকতে হয়। পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা হয় না। তাই ঈদের সময়টাতে সবার সাথে উদযাপন করার জন্যই ঘুরতে বের হওয়া। এছাড়া দীর্ঘদিন পরে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পুরনো অনেকের সাথে দেখা হয়। সব মিলিয়ে সবার সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্যই শহরের কোলাহল থেকে সৌন্দর্যের কাছাকাছি যাওয়া বলে জানালেন বেড়াতে আসা মানুষজন।

তুলাতুলী পর্যটন কেন্দ্র দেখা গেছে দর্শনার্থীদের উপছে পড়া ভিড়। শহর ছেড়ে সম্পূর্ণ প্রকৃতির কাছে মেঘনার অপরূপ সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন এখানে হাজার হাজার দর্শনার্থী। এখান থেকে সহজেই সুর্যাস্ত উপভোগ করা যায় প্রকৃতির নিবিড়তায়। আর উত্তাল মেঘনার ঢেউয়ের জলরাশিতে পাল তোলা নৌকা ছুটে চলা মন কাড়ে ভ্রমণ পিপাসুদের। সকাল থেকেই এখানে দলে দলে মানুষ আসতে শুরু করে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে।

তুলাতুলী পর্যটন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদ উপলক্ষে গত কয়েকদিন যাবত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারের মাধ্যমে বিনোদন কেন্দ্রটি প্রস্তুত করা হয়েছে। বিনোদন কেন্দ্রটিতে দর্শনার্থীদের বেশ চাপ রয়েছে। ঈদের ২/৩ দিন পরেও দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে এখানে। মূলত বছরের অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তাদের ব্যবসা সবচেয়ে ভালো হয়। তাই এই সময়টার জন্য অপেক্ষা করেন তারা। এবার দর্শনার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তায় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করায় সন্তুষ্ট তারা।

এখানে বেড়াতে আসা নাইমা আলম, রাফিয়া শার্লি, শফিক রহমান, খালেদ হোসেন ও জাকিয়া পলাশ বলেন, তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে বিনোদনের উদ্দেশে এখানে এসেছেন। নদী পাড়ের দূরন্ত হাওয়া মন ভালো করে দেয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত