তরুণ ক্রিকেটার সজীবের আত্মহত্যা

প্রকাশ : ১৫ নভেম্বর ২০২০, ২১:৩৯

সাহস ডেস্ক

আত্মহত্যা করেছেন ২০১৮ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ দলের স্ট্যান্ডবাই তালিকায় থাকা ক্রিকেটার সজীবুল ইসলাম (২২)। আসন্ন বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ড্রাফটের তালিকায় নাম না থাকার হতাশা থেকেই আত্মহত্যা করেছেন তিনি, এমনটাই তাঁর পরিবারের দাবি, । সজীবুলের বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলাতে।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসমত আলী জানিয়েছেন, কাল রাতে না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ২২ বছর বয়সী এই তরুণ ক্রিকেটার। আজ সকালে বাবা মোরশেদ আলী সজীবকে খুঁজে পান তাঁর ঘরে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায়। পরে পুলিশ সকাল ১০টার দিকে দরজা ভেঙে সজীবের লাশ উদ্ধার করে।

তাঁর পরিবার পুলিশকে জানিয়েছে, আসন্ন বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের খেলোয়াড় ড্রাফটে সুযোগ না পাওয়ায় হতাশ ছিলেন সজীব। সে হতাশা থেকেই নাকি আত্মহত্যা করেছেন তিনি। পরিবারের অনুরোধে সজীবের লাশের ময়নাতদন্ত হয়নি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ দাফনের অনুমতি দেয়।

রাজশাহীতে বাংলা ট্র্যাক একাডেমিতে অনুশীলন করতেন ক্রিকেট অঙ্গনে সজীব হোসেন নামে পরিচিত এই ব্যাটসম্যান। বাংলা ট্র্যাক একাডেমির প্রধান নির্বাহী ও প্রধান কোচ আবার বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ। বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগেরও প্রধান তিনি। ২০১৮–এর অনূর্ধ্ব-১৯ দলে থাকায় সজীবকে খুব ভালো করেই চেনেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

২০১৯ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে উত্তরা স্পোর্টিংয়ের হয়ে দুটি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলেছেন সজীব। অভিষেকে শেখ জামালের বিপক্ষে ৬১ রানে অপরাজিত ছিলেন সজীব।
একটি জাতীয় দৈনিক'কে আজ খালেদ মাহমুদ মুঠোফোনে বলেন, ‘কিছু জানতে পারিনি এখনো। কেন হলো বুঝতে পারছি না। ভালো ক্রিকেটার ছিল। কেন এমন হলো বলতে পারছি না। শুনে আমি খুবই অবাক হয়েছি।’

মাহমুদ জানান, স্বভাবে খুবই ভদ্র ও বিনয়ী ছিলেন সজীব। ‘ওর (সজীবের) পরিবার অত সচ্ছল নয়। খেলে যেই টাকা পায়, সেই টাকা দিয়ে নিজেই একটা পাকা উইকেট বানিয়েছিল সে। আমাকে বলছিল উইকেটের কথা। আমি বলেছিলাম, ভালো করেছিস। কদিন আগেই রাজশাহীতে গিয়েছিলাম। দেখা হয়েছিল ওর সঙ্গে।’ বলেছেন খালেদ মাহমুদ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
আপনি কী মনে করেন করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের পদক্ষেপ সন্তোষজনক?