x

এইমাত্র

  •  লকডাউনের সময়সীমা ২২-২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়লো
  •  ফোর্বসের তালিকায় ৯ বাংলাদেশি তরুণ
  •  ভাসানচর নিয়ে আল-জাজিরার প্রতিবেদন মিথ্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  •  লকডাউনে থাকছে যেসব বিধিনিষেধ
  •  কাল থেকে সীমিত পরিসরে চলবে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট

নেইমারদের কাঁদিয়ে ইউরোপা চ্যাম্পিয়ান বায়ার্ন মিউনিখ

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২০, ০৫:২২

সাহস ডেস্ক

ইতিগাস গড়া হলো না ফ্রেন্স ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি)। ইতিহাসে এবারই প্রথম ইউরোপের সেরা লিগের ফাইনালে উঠে স্বপ্ন ভাঙায় কাঁদতে হলো নেইমার-এমবাপেদের। ২০১৯-২০ মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে নেইমার-এমবাপেদের কাঁদিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ইউরোপা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। শিরোপা জেতার পথে ১১ ম্যাচে এটি ছিল বায়ার্নের ১১তম জয়। সব ম্যাচ জিতে শিরোপা এর আগে আর জেতেনি কোনো দল।

রবিবার (২৩ আগস্ট) দিবাগত রাতে লিসবনে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে পিএসজিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে জার্মান জায়ান্টরা।

এদিন শুরু থেকেই পিএসজি-বায়ার্নের সমন্তরাল আক্রমণ। ম্যাচের ১৯ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো পিএসজি। কপালটা খারাপ বলতে হয় নেইমারের। এমবাপের কাছ থেকে ডি বক্সে বল পেয়ে জালে জড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। নেইমারের ওই শট বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়াল ন্যুয়ার এক পা ধরে দিয়ে কোনোমতে ফেরান। পরমুহূর্তেই টাচলাইন থেকে ফের বলটা আলতো ছুঁয়ে তুলেছিলেন নেইমার, এবারও ন্যুয়ারে রক্ষা।

পরে ম্যাচের ২২ মিনিটে দুর্ভাগ্য বায়ার্নের। রবার্ট লেভানডোস্কির ডি বক্সের মধ্য থেকে নেয়া মাটি কামড়ানো শট লেগে যায় পোস্টে। পরের মিনিটেই সংঘবদ্ধ আক্রমণে ফের সুযোগ ছিল পিএসজির। কিন্তু অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার চেষ্টা একটুর জন্য পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়।

পরে ম্যাচের ৩২ মিনিটে বায়ার্নের সহজতম সুযোগটি নস্যাৎ করেন কেইলর নাভাস। জিনাব্রির ক্রস থেকে ডি বক্সে উড়ে আসা বল গোলরক্ষকের একদম সামনে থেকে হেড করেছিলেন লেভানডোস্কি, নাভাস ঠিকই বলটা ধরে ফেলেন।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পিএসজির সহজ সুযোগ নষ্ট করেন এমবাপে। আন্দার এরেরার পাস থেকে মাত্র ১০ গজ দূরে বল পেয়েও গোলরক্ষক বরাবর মেরে দেন ফরাসি স্ট্রাইকার। পরে গোল শূন্যতে বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতি থেকে ফিরে এসে চড়াও হয়ে খেলতে থাকে বায়ার্ন। দুর্দান্ত পারফরমেন্স দিয়ে নেইমার-এমবাপেদের চাপে রাখে জার্মান লেভানডফস্কি-মুলাররা। এর ফলও পেয়ে যায় ম্যাচের ৫৯ মিনিটে। ২০ গজ দূর থেকে জশোয়া কিমিচের ক্রস থেকে দারুণ নিচু হেডে ডান দিকের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান ফরাসি মিডফিল্ডার কিংসলে কোম্যান। এতে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় হান্সি ফ্লিকের দল।

পিছিয়ে পড়ার পর সমাতয় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে পিএসজি। বেশ কয়েকটি সম্ভাবনাও তৈরি করে। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে ফের সুযোগ নষ্ট করেন এমবাপে। ডি মারিয়ার বাড়ানো বলে পা লাগালেই গোল হয়ে যেতে পারতো। তিন মিনিট পর মার্কিনহোসের মাটি কামড়ানো শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন ন্যুয়ার।

পরে ম্যাচের ৮৩ মিনিটে পিএসজি রক্ষণ ভেঙে বক্সের ভেতর ঢুকে পড়ছিলেন লেভানদোস্কি। একা গোলরক্ষককে বিপদ থেকে বাঁচাতে পোলিশ স্ট্রাইকারকে পা ধরে দেন ডিয়েগো সিলভা, দেখেন হলুদ কার্ড। বক্সের খুব কাছে থেকে স্পট কিক নিয়ে পোস্টের বাইরে বল পাঠান কৌতিনহো। পরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এগিয়ে থাকে জার্মান ক্লাবটি।

পরে অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটে লেভানদোস্কি পিএসজির বক্সে পড়ে গেলেও পেনাল্টি দেননি রেফারি। পাল্টা আক্রমণে বরং গোল শোধের দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল পিএসজি। বক্সের মধ্যে দারুণভাবে বলটা নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন নেইমার, রক্ষণের চাপের মধ্যেও কোনোমতে বাঁকানো শট নেন। সেটি একটুর জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। শেষ বাঁশির আগে সেটাই ছিল পিএসজির শেষ সুযোগ। অবশেষে এই ১-০ গোলে হেরে ইতিহাস গড়া হলো না পিএসজির। কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়েন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। এদিকে এই জয়ে ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা ঘরে তুলল বায়ার্ন মিউনিখ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
আপনি কী মনে করেন করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের পদক্ষেপ সন্তোষজনক?