x

এইমাত্র

  •  করোনাভাইরাসে নতুন আক্রান্ত আরও পাঁচজন
  •  করোনা: মক্কা-মদিনায় অনির্দিষ্ট কালের জন্য কারফিউ
  •  ঢামেকে আইসোলেশনে দু'জনের মৃত্যু, করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ
  •  করোনাভাইরাস: সতর্ক করে চিঠি লেখা ক্যাপ্টেনকে অপসারণ করলো মার্কিন নৌবাহিনী
  •  করোনোভাইরাস: সারাবিশ্বে আক্রান্ত সংখ্যা ১০ লাখের বেশি, মৃতের সংখ্যা ৫৩ হাজার ছাড়ালো

আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে লিভারপুল-টটেনহ্যাম

প্রকাশ : ০১ জুন ২০১৯, ১৪:৪৪

সাহস ডেস্ক

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ২০১৯ মৌসুমের ফাইনালে জয়ের লক্ষ্যে আজ মুখোমুখি হচ্ছে দুই ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল ও টটেনহ্যাম হটস্পার। এই ইংলিশ যুদ্ধে প্রতিপক্ষ যেন লাতিন এবং ইউরোপ। ইউরোপের সেরার লড়াইয়ে জড়িয়ে দুই দেশ। আর্জেন্টিনার পচেত্তিনো ও জার্মানির ক্লপ।

১ জুন (শনিবার) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় ওয়ান্ডা মেট্রোপলিট্যানো স্টেডিয়ামে টটেনহ্যামের বিপক্ষে মাঠে নামবে লিভারপুল।

এর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম সেমিফাইনালে দুই লেগ মিলিয়ে বার্সেলোনাকে ৩-৪ গোলে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে জার্মান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আয়াক্সকে ২-৩ গোলে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টাইন কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনোর দল।

ইউরোপের সেরার যুদ্ধকে সংবাদ সম্মেলনে আবেগ দিয়ে মাতিয়ে দিয়েছেন টটেনহ্যামে আর্জেন্টাইন কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো। প্রতিপক্ষ লিভারপুলের জার্মান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপকে নিয়ে মজাও করেন বহু সময়। পচেত্তিনো এও বলেছেন, ‘বহু ক্ষেত্রেই আমি ক্লপকে অনুসরণ করি। তার লড়াই আমার ভালো লাগে।’

ক্লপ পাল্টা বলেছেন, ‘একটা যুব টিমকে নিয়ে পচেত্তিনো ফাইনালে উঠেছে। এটা ভাবতেও ভালো লাগছে।’

চাম্পিয়ন্স লিগে তিনবার অল্পের জন্য শিকে ছেঁড়েনি ক্লপের। তা নিয়ে মারাত্মক হাহুতাশ রয়েছে তার। বলেছেন, ‘ভাগ্য একটা ফ্যাক্টর। ম্যাচের পরিকল্পনা থাকেই। কাকে নামিয়ে কাকে খেলাব, তা নিয়ে ভাবতেই হয়। কিন্তু দিনের শেষে ভাগ্যই যেন শেষকথা বলে।’ তারপরও সংবাদ সম্মেলনের শেষে ক্লপ নিজেদেরই এগিয়ে রেখেছেন।

কে বলবে শেষকথা? ফাইনাল ঘিরে কেউ মোহামেদ সালাহ বনাম লুকাস মৌরার ম্যাচ বলতে চাইছেন। কেউ টটেনহ্যামের হ্যারি কেনের কথা বলছেন। কেন খেলবেন। কিন্তু প্রথম একাদশে অনিশ্চিত। লিভারপুলের ফিরমিনো চোটের তালিকায়।

ইপিএলে এই দুই দল বহুবার মুখোমুখি হলেও ইউরোপিয়ান টুর্নামেন্টের ফাইনাল অন্য মঞ্চ। এই প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে মুখোমুখি টটেনহ্যাম ও লিভারপুল। দর্শক, সমর্থকরা সবাই তাকিয়ে ট্রফির দিকে। ম্যানচেস্টার সিটির সমর্থকরাও হাজির মাদ্রিদে। টটেনহ্যাম সমর্থকদের কাছে হারানোর কিছু নেই। হেরে গেলেও মারাত্মক কিছু হবে না। কিন্তু চাপের মুখে লিভারপুল। ২০০৫ সালের পর আর ট্রফির মুখ দেখেনি তারা। কখনো সেমিফাইনালে হেরে গেছে। কখনো আবার ফাইনালে। ক্লপের কপাল তো আরও খারাপ।

ক্লপের লিভারপুল এবার স্বপ্নে ভরপুর। সেমিফাইনালে বার্সেলোনাকে হারিয়েছে। প্রথম লেগে তিন গোলে পিছিয়ে ছিল। দ্বিতীয় লেগে চার গোলে হারিয়ে লিভারপুল ফাইনালে। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন।

একই ছবি টটেনহ্যামের ক্ষেত্রেও। আয়াক্সের কাছে এক গোলে পিছিয়ে ছিল টটেনহ্যাম। কিন্তু দ্বিতীয় লেগে ছবিটা বদলে গিয়েছিল। দ্বিতীয় লেগে টটেনহ্যাম ৩-২তে জিতেছিল। অ্যাওয়ে গোলের হিসেবে ফাইনালে টটেনহ্যাম। লুকা মৌরার হ্যাটট্রিকে বাজিমাত করেছিলেন পচেত্তিনো। সব হিসেবে গুলিয়ে গেছে মাদ্রিদে। সেখানে নতুন লড়াই।

যন্ত্রণার ছবি ভুলতে চান ভার্জিল ফন ডাইক। পেছনে ফিরে দেখতে চান না তিনি। এবার ফাইনালে হেরে নয়, জিততে চান লিভারপুলের এই ডিফেন্ডার।

গত বছর ফাইনালে লিভারপুল হেরেছিল রিয়াল মাদ্রিদের কাছে। মাদ্রিদে ফাইনালের আগে টেনে নিয়ে আসা হয়েছে গতবারের ছবি। এবার তাই শপথ নেয়ার পালা। ফন ডাইক বলছেন, ‘গতবারের স্মৃতি এখনো টাটকা। কিন্তু সেই যন্ত্রণার স্মৃতি মুছতে চাই।’

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত