x

এইমাত্র

  •  করোনায় আরও ২৯ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৩২৮৮
  •  ভ্রমণ কড়াকড়ি শিথিল হওয়ার পর ট্রেন এবং বিমানের টিকিট কেনার হিড়িক লেগেছে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে
  •  মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃত্যু ৫ লাখ ৩০ হাজার, আক্রান্ত ১ কোটি ১২ লাখেরও বেশি
  •  পুলিশে করোনায় আক্রান্ত ১১৪৩১ জন, মৃত্যু ৪৪
  •  গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে ডেকেছে ওষুধ প্রশাসন

করোনা নিয়ে বিএনপির আশঙ্কা ভুল প্রমাণিত হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২০, ১৯:৪৪

সাহস ডেস্ক

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের কারণেই করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি ও কিছু বিশেষজ্ঞের আশঙ্কা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।’

বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের চতুর্থ সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশ তিনমাসের বেশি সময় ধরে প্রায় সবকিছু বন্ধু। এখন সীমিত আকারে খুললেও সবকিছু চালু হয়নি। সরকারের সঠিক এবং সময়োচিত পদক্ষেপ ও একইসাথে ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতার কারণেই তিন মাসে বাংলাদেশে একজন মানুষও অনাহারে মারা যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘দেশে কোথাও খাদ্যের জন্য হাহাকার নেই। খাদ্যের জন্য হাহাকারের সম্ভাবনা নিয়ে অনেক বিশেষজ্ঞ মত দিয়েছিলেন, তাদের সেই মত ভুল প্রমাণিত হয়েছে। চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রেও সরকার অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং আরও নতুন নতুন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এগুলো ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আমরা যদি এভাবে এগিয়ে যেতে পারি, পরম সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে এই মহামারি নিয়ন্ত্রণ করতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা শুধু ধনাঢ্য ব্যক্তিদের জন্য নয়, চিকিৎসা সবার জন্য এবং সরকার সেটি নিশ্চিত করেছে। সরকার ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারাদেশের জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে সামর্থ্য অনুযায়ী সব মানুষের জন্য চিকিৎসা নিশ্চিত করেছে।’

চট্টগ্রামের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিভাগীয় কমিশনার জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বিভাগে আইসিইউ বেড ১৯৬টি। এরমধ্যে কিছু বেড খালিও আছে। অর্থাৎ এখানে শুরুতে যে সংকট ছিল, এখন তা নেই। চট্টগ্রামের রোগীরা যাতে আরো ভালোভাবে চিকিৎসা সুবিধা পায় সেজন্য তারা সর্বাত্বকভাবে চেষ্টা করেছেন, চট্টগ্রামে নিয়মিত সমন্বয় সভা করছেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়গুলো দেখভাল করার জন্য বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে যে কমিটি করে দেয়া হয়েছে, তারাও কষ্ট করে অনেক কাজ করেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম ভেটেনারী বিশ্ববিদ্যালয় কোভিড-১৯ টেস্টের ব্যবস্থা করে যে উদাহরণ তৈরি করেছে, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদেরকে অনুসরণ করবে বলে আমি আশা করি।’

মন্ত্রী এসময় চট্টগ্রামে করোনা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং প্রয়োজনে লাশ দাফনের কাজে এগিয়ে আসা মানুষ ও সংগঠনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

রেড জোন নিয়ে তিনি বলেন, ‘জীবন এবং জীবিকা রক্ষা দুটির মধ্যে সমন্বয় করেই নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, সেজন্য এখন এলাকাভিত্তিক রেড জোন চিহ্নিত করা হচ্ছে।’

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘চিহ্নিত এলাকায় যেসব বিধিনিষেধ মেনে চলা প্রয়োজন, আমাদেরকে অবশ্যই কঠোরভাবে সেগুলো মানতে হবে। তাহলেই আমাদের পক্ষে নিজেদেরকে, নিজের পরিবারকে, নিজের কাছের জনদেরকে সুরক্ষা দেয়া, সর্বোপরি মহামারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।’

ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, হুইপ শামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরিন আখতার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন অনলাইন সভায় সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত