x

এইমাত্র

  •  করোনা প্রমাণ করেছে দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা কতটা শক্তিহীন: প্রধানমন্ত্রী
  •  করোনায় সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৯১ হাজার ৯৯৭ জন
  •  করোনায় বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ৬৬ লাখের অধিক, সুস্থ হয়েছেন ৩২ লাখেরও বেশী
  •  ঢামেকের করোনা ইউনিটে ২ দিনে আরও ৩৩ জনের মৃত্যু
  •  করোনাভাইরাসঃ বাংলাদেশে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৪২৩ জনের

বনে নয়, খাঁচায় বাঘের সংখ্যা বেশী

প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০১৯, ১৩:০৩

ডয়চে ভেলে

প্রাণী অধিকার নিয়ে কাজ করা মার্কিন সংস্থা ‘দ্য হিউম্যান সোসাইটি’র ধারনা, দেশটিতে পাঁচ থেকে সাত হাজার বাঘ খাঁচাবন্দি হয়ে আছে৷ ‘টাইগার্স ইন অ্যামেরিকা’ নামের আরেক সংস্থা মনে করছে, এমন বাঘের সংখ্যা প্রায় সাত হাজার৷

বাঘেরা সাধারণত এশিয়ার বনগুলোতে থাকে৷ সেখানে বাঘের সংখ্যা দিন দিন কমছে৷ বনে থাকে এমন বাঘের সংখ্যা এখন চার হাজারের কিছু কম হবে বলে মনে করা হয়৷

পোষা প্রাণী বলতে সাধারণত কুকুর, বিড়ালের কথা সবাই জানেন৷ কিন্তু অনেক মার্কিনির কাছে বাঘও একধরনের পোষা প্রাণী হয়ে উঠেছে৷ তাইতো খাঁচাবন্দি যত বাঘের কথা বলা হচ্ছে তার একটা অংশের দেখা পাওয়া যায় কারও বাড়ির পেছনের বাগানে৷ এছাড়া সরকারি-বেসরকারি চিড়িয়াখানা, সার্কাসের দলের কাছেও এমন বাঘ আছে৷

বাঘ বলতে বন্য বাঘের কথাই আমরা জানি৷ তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাঘগুলো সঙ্কর প্রজাতির৷ সে কারণে শুরুতে এসব বাঘ রক্ষায় মার্কিন সরকারের তেমন মনোযোগ ছিল না৷ পরে ২০১৪ সালে পোষা প্রাণী হিসেবে বাঘ রাখার বিষয়টি আইন করে কঠিন করা হয়েছে৷

মার্কিন সংস্থা ‘দ্য ফেলিন কনজারভেশন ফেডারেশন’ ২০১১ সালে একটি বাঘশুমারি করেছিল৷ পাঁচ বছর মেয়াদি ঐ শুমারি ২০১৬ সালে শেষ হয়৷ তাদের হিসেবে ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বাঘের সংখ্যা ছিল ছয় হাজার ৫৬৩টি৷ ২০১৬ সালে তা কমে হয়েছে পাঁচ হাজার ১৪৪৷

ফেলিন কনজারভেশন ফেডারেশনের পামেলা বইচ মনে করছেন কঠোর আইন, প্রাণী কল্যাণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়া, প্রাণী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর উদ্যোগ, এসব কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বাঘের সংখ্যা কমছে৷

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত