x

এইমাত্র

  •  গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় নতুন সংক্রমিত ২৬৬৬ জন, মৃত ৪৭ জন
  •  ইতালিতে ফের ছড়াচ্ছে করোনা, নতুন রোগীদের সিংহভাগ বাংলাদেশি
  •  মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃত্যু ৫ লাখ ৬৭ হাজার, আক্রান্ত ১ কোটি ২৮ লাখেরও বেশি
  •  সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ৫৬ শতাংশ, জুনে নিহত ৩৬৮
  •  আল-জাজিরায় সাক্ষাৎকার দেয়া বাংলাদেশি রায়হানের ভিসা বাতিল

মহা বিপন্ন মেছো বাঘ

প্রকাশ : ২৮ মে ২০১৯, ০১:৫৩

সংগৃহীত

মেছোবাঘ, লামচিতা, বাঘরোল বা মেছো বিড়াল (ইংরেজি: Fishing Cat), মাঝারি আকারের বিড়ালগোত্রীয় একধরণের স্তন্যপায়ী বন্যপ্রাণী। ব্রাজিল, কোস্টা রিকা, বাংলাদেশ, ভারত, বলিভিয়া, ক্যাম্বোডিয়া, লাউস, শ্রীলঙ্কায় এরা স্থানীয়ভাবে বাঘরোল নামে পরিচিত। 

বাংলাদেশে মেছোবাঘের গো-বাঘা বা লামচিতা নামে পরিচিত। অনেক এলাকায় চিতা বাঘ হিসাবেও পরিচিত এরা। এক সময় দেশজুড়ে ছিলো তাদের বিচরণ। তবে এখন প্রাকৃতিক বন বাদে অন্যত্র মেছোবাঘ মহা বিপন্ন প্রাণী।লেজ বাদে শরীরের মাপ ৭০-৮০ সেন্টিমিটার। লেজের মাপ ৬০-৬৫ সেন্টিমিটার। ওজন ১২-১৫ কেজি।

মেছোবাঘ সাধারণত নদীর ধারে, পাহাড়ি ছড়া এবং জলাভূমিতে বাস করে। এরা সাঁতারে পারদর্শী হ‌ওয়ায় এধরণের পরিবেশে সহজেই খাপ খাওয়াতে পারে। এদের গায়ে ছোপ ছোপ চিহ্ন থাকার জন্য চিতাবাঘ বলেও ভুল করা হয়।

মেছোবাঘের খাদ্য তালিকায় রয়েছে-ধেনো ইঁদুর, নির্বিষ সাপ, বুনো খরগোশ, পাখি, কাঁকড়া, কচ্ছপ, শিয়াল, কুকুর, বাছুর, ছাগল, হাঁস-মুরগি ইত্যাদি। দক্ষ শিকারি এরা। তুখোড় লড়াকুও বটে। শরীরে শক্তি ধরে প্রচণ্ড। গাছে চড়তে ওস্তাদ। রাতে গাছে চড়ে বড় পাখিসহ পাখির ডিম-ছানা খায়। বাংলাদেশে এখনও সুন্দরবনসহ বৃহত্তর সিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি বনে মেছোবাঘের দেখা মেলে।

এদের আবাসস্থল থাইল্যান্ড ও এল সালভাদোর। বিগত কয়েক দশকে মেছোবাঘের সংখ্যা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। চোরা শিকারী, জনবসতি স্থাপন, কৃষিজমিতে রূপান্তর ও অন্যান্য কারণে বাঘরোলের আবাসস্থল জলাভূমিগুলো দিন দিন সংকুচিত ও হ্রাস পাওয়াই এর মূল কারণ। তাই আইইউসিএন ২০০৮ সালে মেছোবাঘকে বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত