x

এইমাত্র

  •  করোনাভাইরাসে নতুন আক্রান্ত আরও পাঁচজন
  •  করোনা: মক্কা-মদিনায় অনির্দিষ্ট কালের জন্য কারফিউ
  •  ঢামেকে আইসোলেশনে দু'জনের মৃত্যু, করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ
  •  করোনাভাইরাস: সতর্ক করে চিঠি লেখা ক্যাপ্টেনকে অপসারণ করলো মার্কিন নৌবাহিনী
  •  করোনোভাইরাস: সারাবিশ্বে আক্রান্ত সংখ্যা ১০ লাখের বেশি, মৃতের সংখ্যা ৫৩ হাজার ছাড়ালো

দ্য লিজেন্ড: সৈয়দ আব্দুল হাদী

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০১৯, ১৫:১২

সাহস ডেস্ক
সৈয়দ আব্দুল হাদী

বাংলা গানের অন্যতম প্রবাদ পুরুষ, জীবন্ত কিংবদন্তি শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদীর জন্মদিন আজ। জাতীয় পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এই কন্ঠশিল্পী।

ষাটের দশক থেকে শুরু করে শ্রোতাদের ভালোবাসায় আজও সিক্ত তিনি। প্রামাণ্যচিত্রও তৈরি হয়েছে তার সংগীতজীবন নিয়ে। শেষ বয়সে এসেও গানের সঙ্গেই তার বসবাস।

জন্মদিন উপলক্ষে ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে তার জীবনভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ‘দ্য লিজেন্ড সৈয়দ আব্দুল হাদী’।

কিংবদন্তি এই শিল্পী ১৯৪০ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেরার শাহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তার কলেজ জীবন কেটেছে রংপুর আর ঢাকায়।

সংগীতশিল্পীর বাবা সৈয়দ আব্দুল হাইয়ের শখের গ্রামোফোন রেকর্ডের গান শুনে তার প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়। সেসব রেকর্ডের গান শুনে গাইতে গাইতেই ছোটবেলা থেকে তিনি গান শিখেছেন। তারপর আর থেমে থাকেননি। নিরন্তর গান গেয়ে পৌঁছে গিয়েছেন খ্যাতির শীর্ষে।

১৯৫৮ সালে সৈয়দ আব্দুল হাদী ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। ছাত্রজীবন থেকেই চলচ্চিত্রে গান গাওয়া শুরু করেন তিনি। পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে সৈয়দ আব্দুল হাদী একক কণ্ঠে প্রথম বাংলা সিনেমায় গান করেন। সিনেমার নাম ছিল ‘ডাকবাবু’। মো. মনিরুজ্জামানের রচনায় সঙ্গীত পরিচালক আলী হোসেনের সুরে একটি গানের মাধ্যমে সৈয়দ আব্দুল হাদীর চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু। এরপর গত ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে অসংখ্য জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন এই শিল্পী। 

শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী গোলাপী এখন ট্রেনে-১৯৭৮, সুন্দরী-১৯৭৯, কসাই-১৯৮০, গরীবের বউ-১৯৯০, ক্ষমা-১৯৯২ এর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ঢাকা ৮৬ চলচ্চিত্রের 'আউল-বাউল লালনের দেশে মাইকেল জ্যাকসন এলোরে' গানটির জন্যও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

তার গাওয়া গানের মধ্যে ‘যেও না সাথী’, ‘চোক্ষের নজর এমনি কইরা একদিন খইয়া যাবে’, ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসতো’, ‘চলে যায় যদি কেউ বাঁধন ছিঁড়ে কাঁদিস কেন মন’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো আর কতদিন বলো সইবো’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

সৈয়দ আব্দুল হাদী বিটিভির প্রথম চারজন প্রযোজকের মধ্যে একজন ছিলেন। এছাড়া তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও করেছেন। সর্বশেষ লন্ডনে ওয়েল্স ইউনিভার্সিটিতে প্রিন্সিপাল লাইব্রেরীয়ান হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি অবসরে রয়েছেন।  

সাহস২৪.কম/ইতু
 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত