x

এইমাত্র

  •  বিসিবির সাথে আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে: সাকিব আল হাসান
  •  ক্রিকেটারদের বেশিরভাগ দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে, দ্রুত কার্যকর করা হবে: নাজমুল হাসান পাপন
  •  শনিবার থেকে মাঠে ফিরছেন ক্রিকেটাররা
  •  দুইদিন পিছিয়ে জাতীয় লিগের তৃতীয় রাউন্ড শুরু শনিবার

আজ হুমায়ুন ফরিদীর জন্মদিন

প্রকাশ : ২৯ মে ২০১৯, ১২:২৯

সাহস ডেস্ক

প্রয়াত গুণী শিল্পী, শক্তিমান অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদীর আজ জন্মদিন। ১৯৫২ সালের আজকের এই  দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। প্রখ্যাত এই অভিনেতা সকল ক্ষেত্রে অভাবনীয় প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। বাংলাদেশের নাটক ও সিনেমায় এক উজ্জলতম নক্ষত্র তিনি।

হুমায়ুন ফরিদীর ক্যারিয়ার শুরু মঞ্চ থেকে। এরপর ছোটপর্দা, তারপর বড়পর্দা। সব জায়গায় তিনি ছড়িয়েছেন দ্যুতি। তিনি তার নান্দনিক অভিনয় নৈপুণ্যে হয়ে ওঠেন গুণীদের একজন। তিনি তার অভিনয়ে বরাবরই প্রবেশ করতেন গভীরে। তাইতো কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। এক কথায় অসাধারণ অভিনয়শিল্পী হৃমায়ুন ফরিদী।

হুমায়ুন ফরীদির অভিনয়ের শুরুটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-বেরুনী হলে থাকতেন এ অভিনেতা। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় নাট্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নাট্যচার্য সেলিম আল দীনের নজরে পড়েন তিনি। এরপর যুক্ত হন ঢাকা থিয়েটারের নাট্যচর্চার সঙ্গে। ঢাকা থিয়েটারের হয়ে মঞ্চে অভিনয় করেন কিত্তনখোলা, মুন্তাসির ফ্যান্টাসি, কেরামত মঙ্গল, ধূর্ত উই প্রভৃতি নাটকে। কেরামত মঙ্গল নাটকে কেরামত চরিত্রে হুমায়ুন ফরীদির অভিনয় এখনও আলোচিত হয় ঢাকার মঞ্চে।

টিভি নাটকে হুমায়ুন ফরীদি আলোচনায় আসেন শহিদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে আবদুল্লাহ আল মামুন নির্মিত ‘সংশপ্তক’ ধারাবাহিক নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। নাটকটিতে কানকাটা রমজান চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ প্রশংসা অর্জন করেন হুমায়ুন ফরীদি। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি ছোটপর্দায় সাফল্যের সঙ্গে অভিনয় করেছেন।

তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটক “শকুন্তলা”, “ফণীমনসা”, “কীত্তনখোলা”, “মুন্তাসির ফ্যান্টাসি”, “কেরামত মঙ্গল” প্রভৃতি। ১৯৯০ সালে নিজের পরিচালনায় “ভূত” দিয়ে শেষ হয় ফরীদির ঢাকা থিয়েটারের জীবন।

আতিকুল হক চৌধুরীর প্রযোজনায় “নিখোঁজ সংবাদ” ফরীদির অভিনীত প্রথম টিভি নাটক। তাঁর অন্য নাটকগুলোর মধ্যে ছিলো “সংশপ্তক’’, “হঠাৎ একদিন”, “একটি লাল শাড়ি”, “নীল নকশার সন্ধানে”, “দূরবীন দিয়ে দেখুন”, “বকুলপুর কতদূর”, “মহুয়ার মন”, “সাত আসমানের সিঁড়ি”, “একদিন হঠাৎ”, “কাছের মানুষ”, “কোথাও কেউ নেই”, “মোহনা”, “ভবেরহাট”, “জহুরা”, “আবহাওয়ার পূর্বাভাস” ইত্যাদি।

ফরীদির প্রথম সিনেমায় অভিনয় শুরু হয় তানভীর মোকাম্মেলের “হুলিয়া”-র মধ্য দিয়ে। এরপর, তাঁর অভিনীত সিনেমার মধ্যে রয়েছে “সন্ত্রাস”, “বীরপুরুষ”, “দিনমজুর”, “লড়াকু”, “দহন”, “বিশ্বপ্রেমিক”, “কন্যাদান”, “আঞ্জুমান”, “পালাবি কোথায়”, “একাত্তরের যীশু”, “ব্যাচেলর”, “জয়যাত্রা”, “শ্যামল ছায়া” প্রমুখ।

২০১২ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত টিভি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত