x

এইমাত্র

  •  সুস্থ হয়ে কাজে যোগদান করেছেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালক
  •  করোনায় সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৩২৭ জন
  •  করোনায় বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ৬২ লাখের অধিক, সুস্থ হয়েছেন ২৮ লাখেরও বেশী
  •  শক্তি হারাচ্ছে করোনাভাইরাস, দাবি ইতালির চিকিৎসকের
  •  করোনাভাইরাসঃ বাংলাদেশে আরও ২২ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৩৮১

এশিয়ার প্রবৃদ্ধি শূন্যের কোঠায়, বাংলাদেশে দুই শতাংশ: আইএমএফ

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২০, ২০:০২

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ব অর্থনীতির শতাব্দীর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। থমকে গেছে এশিয়ার অর্থনীতিও।এশিয়ার দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি শূন্যের কোঠায় নামতে পারে বলে সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। ১৬ এপ্রিল, বৃহস্পৃতিবার এশিয়া-প্যাসিফিকি নিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানোহয়।

আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক চ্যাংগইয়ংগ রি বলেন, এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়বে সেবা ও রফতানি খাত। দেশে দেশে লকডাউনের কারণে বিমান চলাচল খাত, কারখানা, দোকান, রেস্তোরাঁগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনের চলতি বছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ১ দশমিক ২ শতাংশ। আইএমএফের জানুয়ারি মাসের পূর্বাভাস ছিল ৬ শতাংশ। তবে এ দেশটিতে আগামী বছর ৯ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। নতুন করে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে দেশটিতে এ সম্ভাবনা অনিশ্চিত হয়ে উঠবে বলে জানানো হয়।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল নিয়ে ওই প্রতিবেদনে আইএমএফ জানায়, ৬০ বছরের মধ্যে এ প্রথম শূন্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে এশিয়া। তবে অন্যান্য অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিবেচনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে এশিয়া। ইতিপূর্বে বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে এশিয়ার গড় প্রবৃদ্ধি ছিলো ৪.৭ শতাংশ, এছাড়া ১৯৯০ সালের এশিয়ার অর্থনৈতিক সংকটের সময় প্রবৃদ্ধি হয় ১.৩ শতাংশ। এবার তার চেয়ে আরো খারাপ হবে।

আইএমএফ আশা করছে, এ বছর গ্রহণ করা নীতিগত হাতিয়ারগুলো কাজে লাগালে আগামী বছর এশিয়ার অর্থনীতিতে ৭.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আসবে। তবুও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। সংস্থার মতে, মানুষ বাসায় অবস্থানের কারণে এ বছর সেবা খাত সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এছাড়া সবচেয়ে বড় রফতসনি গন্তব্যগুলোর মধ্যে আমেরিকা, জার্মানিসহ ইউরোপের দেশগুলো করোনায় অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে যা এই নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত