x

এইমাত্র

  •  গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় নতুন সংক্রমিত ২৬৫৪ জন, মৃত ৩৩ জন
  •  লেবাননে ভয়াবহ বিস্ফোরণ; নিহত ৭৮ এবং আহত ৪ হাজারের অধিক
  •  মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃত্যু ৭ লাখ ৫ হাজার, আক্রান্ত ১ কোটি ৮৭ লাখেরও বেশি
  •  লেবানন বিস্ফোরণে নিহত ৩ বাংলাদেশী, আহত ৭৮

ডাকঘর স্কিমের সুদের হার পুনর্বিবেচনা করা হবে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৮:২০

সাহস ডেস্ক

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদের হারের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে।’

১৯ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বিকেল সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিক একথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

সরকার ১৩ ফেব্রুয়ারি ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার প্রায় অর্ধেকে কমিয়ে আনা নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার প্রায় অর্ধেকে কমিয়ে আনার বিষয়টি নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে, তাই বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘সঞ্চয় পত্রের সুদের হারও বেশি। দেখি এটা নিয়েও কিছু করতে পারি কিনা। সঞ্চয়পত্র নিয়ে দেশে কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। আমরাতো এগুলো চাইনি। ব্যাংক খাতে সুদের হার এক অঙ্কে নিয়ে আসাটা অনেক বড় কাজ। এটা করতে গেলে সম্পর্কিত সবগুলো উপকরণে হাত দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সঞ্চয়পত্র ও ডাকঘর সঞ্চয় স্কিম করা হয়েছিল সাধারণ মানুষের জন্য। কিন্তু এগুলোতে বড় ধরনের অপব্যবহার হয়েছে।’

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই যেখানে ব্যাংকে টাকা রাখলে এত বেশি সুদ দেওয়া হয়। এ সব পদক্ষেপের মাধ্যমে বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে এক জায়গা যেতে না পারলেও কাছাকাছি যাওয়া যাবে। সরকারকে কর না দিয়ে সব (মুনাফা) নিয়ে যাওয়ার উদাহরণ খুব বেশি দেশে নেই।’

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয় ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার কমানোর বিষয়টি। এ সংক্রান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, তিন বছর মেয়াদি ডাকঘর সঞ্চয় স্কিমের সুদের হার হবে ৬ শতাংশ, যা এত দিন ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ ছিল।

ডাকঘরে চারভাবে টাকা রাখা যায়। ডাকঘর থেকে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে সঞ্চয়পত্র কেনা যায়, ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে মেয়াদি হিসাব ও সাধারণ হিসাব খোলা যায়। আবার ডাক জীবন বিমাও করা যায়।

সুদের হার কমানো হয়েছিল ডাকঘরের সঞ্চয় স্কিমের মেয়াদি হিসাব ও সাধারণ হিসাবে। সাধারণ হিসাবের ক্ষেত্রে সুদের হার সাড়ে ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত