দেশকে দুর্ভিক্ষমুক্ত রাখতে খাদ্য উৎপাদনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০২২, ১৪:৪২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের যে কোনও দুর্ভিক্ষ ও মন্দা থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত রাখতে খাদ্য ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে আরও বেশি প্রচেষ্টা চালানোর জন্য তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় যুব দিবস-২০২২-এর উদ্বোধন ও জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২২ অনুষ্ঠানে  সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমি আমাদের যুবকদের তাদের নিজ নিজ এলাকায় খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য আরও উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানাতে চাই।আর যদি তা করা হয় তাহলে আমরা স্থানীয় চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হব এবং অন্যান্য দুর্ভিক্ষপীড়িত দেশগুলোকেও সাহায্য করতে পারব।’

তিনি বলেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যে বিশ্বব্যাপী দুর্ভিক্ষ আঘাত হানতে পারে এবং অনেক উন্নত দেশও এখন অর্থনৈতিক মন্দার সম্মুখীন হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশকে এর থেকে (যেকোনো বৈশ্বিক দুর্ভিক্ষ ও অর্থনৈতিক মন্দা) মুক্ত রাখতে আমাদের জমির প্রতিটি ইঞ্চি চাষ করতে হবে। এছাড়া খাদ্যপণ্য এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্য উৎপাদনে আরও পদক্ষেপ নিতে হবে’।

তিনি আরও বলেন, তরুণরা বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী শক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং এর সবচেয়ে বড় শক্তি জনশক্তি। ‘আমাদের এই শক্তিকে কাজে লাগাতে হব ‘।

সফল আত্মকর্মসংস্থান বিভাগে জাতীয় যুব পুরস্কার পেয়েছেন নোয়াখালী সদরের জাকির হোসেন (প্রথম), বগুড়ার শেরপুরের সুরাইয়া ফারহানা রেশমা (দ্বিতীয়), নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের বিল্লাল মিয়া (তৃতীয়) এবং বরিশাল সদরের রিতা জেসমিন (তৃতীয়)। প্রথম এবং সেরা যুব সংগঠক বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন দিনাজপুরের বিরলে উপজেলার আবু রাসেল হুদা(দ্বিতয়)।

এছাড়া বিভাগীয় কোটায় সফল আত্মকর্মসংস্থানকারী যুবক ও যুব সংগঠকরা পুরস্কার পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল প্রাপকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। প্রত্যেক পুরস্কার বিজয়ীকে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও পুরস্কারের অর্থের চেক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মেসবাহ উদ্দিন এবং দুই পুরস্কারপ্রাপ্ত জাকির হোসেন ও রিতা জেসমিন।

সাহস২৪.কম/এসএস

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা এখন শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। আপনিও কি তাই মনে করেন?