কুষ্টিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে যুবক নিহত

প্রকাশ : ২১ মে ২০২২, ১৮:৫৬

সাহস ডেস্ক

কুষ্টিয়ায় জমি-জমার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে চাচা ও চাচাতো ভাইদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন এক যুবক। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। শনিবার (২১ মে) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সদর উপজেলার ঝাউদিয়া ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জসিম উদ্দিন (৩৫) স্থানীয় পাতারি মণ্ডলের ছেলে এবং পেশায় একজন ভ্যানচালক। এঘটনায় নিহত জসিমের ছোট ভাই রশিদ (৩২) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, চাচা লালন মণ্ডল ও তার ছেলেদের সঙ্গে বাড়ির জায়গা-জমির ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছিল নিহত জসিমের। শনিবার সকালে চাচা লালনসহ তার ছেলেরা জসিম ও তার ছোট ভাই রশিদের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এ সময় জসিমের মাথায় হাসুয়ার কোপ লেগে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। জসিমকে বাঁচাতে গিয়ে ভাই রশিদও লাঠির আঘাত ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহত দুই ভাইকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জসিমকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য পলাশ জানান, জসিম-রশিদদের সঙ্গে তার চাচা ও চাচাতো ভাইদের জায়গা জমি ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। ইতোপূর্বে একাধিকবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আপোষ-মীমাংসা করে দিলেও পরে তা কোন পক্ষই মানে না।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান রতন জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝাউদিয়া গ্রামে হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। সেখানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জসিম নামে একজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া নিহত জসিমের ভাই আহত রশিদ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখনও কেউ মামলা করতে থানায় আসেনি। এই হত্যাকাণ্ডে যাো জাড়িত তাদের প্রত্যোককে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

প্রসঙ্গত, ঈদের আগের দিন বিকালে ঝাউদিয়া ইউনিয়নের আস্তানগর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের বিবদমান দু গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে চারজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হন।

সাহস২৪/এসটি/এসকে.

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা এখন শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। আপনিও কি তাই মনে করেন?