করোনার পর ফের চালু হচ্ছে মৈত্রী এক্সপ্রেস

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২২, ১৫:২৫

সাহস ডেস্ক

করোনার কারণে প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর ফের চালু হচ্ছে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন। বাংলাদেশ-ভারত রুটের ৩টি যাত্রীবাহী ট্রেন আগামী ১ জুন থেকে আবারও চলাচল করবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, আগামী মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বাংলাদেশ সফর করবেন। সে সময় মৈত্রী এক্সপ্রেস, বন্ধন এক্সপ্রেস ও জলপাইগুড়ি-ঢাকা রুটের মিতালী এক্সপ্রেসের চলাচল শুরু হবে।

মহামারির আগে ঢাকা-কলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস সপ্তাহে পাঁচ দিন এবং খুলনা-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস দুই সপ্তাহ পরপর চলাচল করত। কিন্তু করোনার প্রকোপে বন্ধ হয়ে যায় সেগুলো।

ট্রেন দুটি চালুর সময় বাংলাদেশ ও ভারত একটি করে রেক দিয়েছিল। সবশেষ চালু হওয়া মিতালি এক্সপ্রেসের রেক দিয়েছে ভারত। ২০২১ সালের মার্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌথভাবে ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি রুটের ট্রেনটি উদ্বোধন করেছিলেন।

২০২১ সালের মার্চে ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি রুটে মিতালী এক্সপ্রেসের ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এটি চালু করা হয়। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে পরিষেবাটি শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশিদের কাছে মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেস বেশ জনপ্রিয়। প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে ভারতে চিকিৎসা করাতে যান লাখ লাখ মানুষ। শারীরিক জটিলতার কারণে অনেকের প্লেনে চড়ায় নিষেধাজ্ঞা থাকে, অনেকের আকাশপথে যাওয়ার সামর্থ্য থাকে না। আবার সড়কপথে যাওয়ার ধকলও নিতে পারেন না অনেকে। এ পরিস্থিতিতে তাদের একমাত্র ভরসা দু-দেশের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেনগুলো।

তা ছাড়া আগামী কয়েক বছরে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগে যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে। পদ্মা সেতু চালু হয়ে গেলে ঢাকা থেকে কলকাতা যেতে সময় লাগবে মাত্র তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা। তা ছাড়া বনগাঁ লোকালকে পেট্রাপোল পর্যন্ত চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে ভারতীয় রেলের। সে ক্ষেত্রে সীমান্ত পার হয়ে সরাসরি ট্রেনে উঠতে পারবেন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া লোকজন।

সাহস২৪.কম/এআর/এসকে.

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা এখন শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। আপনিও কি তাই মনে করেন?