হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত চুয়াডাঙ্গা

প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২২, ১১:০৯

সাহস ডেস্ক

ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসের কারণে হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত চুয়াডাঙ্গা জনপদের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। আজ মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত ২-৩ দিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি। এ কারণে শীতের তীব্রতা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে। তীব্র শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বের হওয়া খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছেন বিপাকে। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন শীতার্ত মানুষ। 

এদিকে, তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা হাসপাতালে ভিড় করছে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে। 

রিকশাচালক আতাউল ইসলাম বলেন, গত তিনদিন বেশ কুয়াশা ছিল। শীতও একটু কম ছিল। রবিবার বিকেল থেকে ঠান্ডা জেঁকে বসেছে। রোদ উঠলেও শীত কমছে না। হালকা বাতাসে পুরো শরীর কেঁপে যাচ্ছে। এ রকম আরও কয়েকদিন হলে সকালে কাজে বের হওয়া যাবে না।

বেসরকারি চাকরিজীবী নাহিদুল ইসলাম বলেন, সকাল ৮টার মধ্যে অফিসের উদ্দেশে বের হতে হয়। আজ প্রচণ্ড শীতের কারণে রিকশা না নিয়ে হেঁটে যাচ্ছি। শরীরটা একটু গরম থাকে। কিন্তু উত্তরের হিমেল হাওয়ায় জবুথবু অবস্থা। খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ তো নাজেহাল হয়ে যাচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, আকাশে মেঘ কেটে যাওয়ার পর চুয়াডাঙ্গায় সোমবার সন্ধ্যা থেকে হিমেল বাতাস বইতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার ভোরে কুয়াশা আর হিমেল বাতাসের কারণে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। সকাল ৬টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী কর্মকর্তা সামাদুল হক বলেন, বেশ কয়েক দিন চুয়াডাঙ্গার আকাশ মেঘলা ছিল। ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাস বইছে। তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাবে। শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা এখন শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। আপনিও কি তাই মনে করেন?