আপিল বিভাগ জানালেন

‘অসৎ উদ্দেশ্যে’ আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন কামরুন্নাহার

প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০২১, ১২:৩০

সাহস ডেস্ক

স্থগিতাদেশ থাকার পরও ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে জামিন দেওয়া নিম্ন আদালতের বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার কোনো ধরনের ফৌজদারি বিষয় পরিচালনার ‘উপযুক্ত নন’ বলে রায় দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।  গতকাল বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাতে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন আদালত।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের আপিল বেঞ্চের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে আমরা নথি পর্যালোচনা করে দেখেছি, অসৎ উদ্দেশ্যে ধর্ষণ মামলার আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন ঢাকার সাবেক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার। 

জানা যায়, স্থগিতাদেশ থাকার পরও হাতিরঝিল থানার ২০১৮ সালের এক ধর্ষণের মামলায় আসলাম শিকদার নামের এক আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন বিচারক কামরুন্নাহার। কোন এখতিয়ার বা ক্ষমতাবলে ওই আসামিকে তিনি জামিন দিয়েছিলেন, সে ব্যাখ্যাও জানতে চাওয়া হয়েছিল তার কাছে।

রায়ে বলা হয়েছে, ধর্ষণ মামলায় স্থগিতাদেশ থাকার পরও গত ২২ নভেম্বর আসলাম শিকদারকে জামিন দিয়ে সবোর্চ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করেছেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর সাবেক বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার। তিনি কোনো ধরনের ফৌজদারি বিচারকার্য পরিচালনার জন্য উপযুক্ত (ফিট) নন। তাই সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা অনুযায়ী তার বিচারিক ক্ষমতা সিজ করা হলো। তিনি দেশের কোনো আদালতে ফৌজদারি বিষয় পরিচালনা করতে পারবেন না। রাষ্ট্রপক্ষ ওই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আসে।

প্রসঙ্গত, বনানী রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণ মামলায় গত ১১ নভেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর তৎকালীন বিচারক মোসা. কামরুন্নাহার ৫ আসামিকে খালাস দেন। রায় ঘোষণার সময় তিনি ধর্ষণের ৭২ ঘণ্টা পর মামলা গ্রহণ না করতে পুলিশকে নির্দেশনা দেন। এই পর্যবেক্ষণ দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ায় চলতি বছরের ১৪ নভেম্বর তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়। ওই দিনই তাকে ট্রাইব্যুনাল থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়।

সাহস২৪.কম/এমআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা এখন শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। আপনিও কি তাই মনে করেন?