নয়াপল্টনে পুলিশের উপর বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলা

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৪:১৭

সাহস ডেস্ক

আজ মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) বিএনপির উদ্যোগে সারাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সম্প্রীতি মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেখান থেকে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিনা উস্কানিতে বিএনপির উত্তেজিত নেতাকর্মীদের পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে দেখা যায়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। এতে নয়াপল্টন এবং এর পাশের এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল। সকাল ৯টা থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা আসতে থাকেন। পরে ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চ বানিয়ে দলটির সিনিয়র নেতারা বক্তব্য দেন। সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে কাকরাইল মোড়ে পৌঁছালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

নয়াপল্টনে দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির সমাবেশ চলছিল। তাদের মহাসচিবের বক্তব্য শেষ হওয়ার পরই তারা (বিএনপি নেতাকর্মীরা) মিছিল শুরু করেন। মহাসচিব বলেছেন কোনো মিছিল হবে না। তবু তারা মিছিল শুরু করে ও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে লাঠিচার্জ করেছে। তাদের হামলায় পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নয়াপল্টনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকারের নেতৃত্বে একটি মিছিল নাইটিঙ্গেল মোড়ের দিকে এগিয়ে যায়। এসময় প্রথমে স্কাউট মার্কেটের সামনে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তখন মিছিলকারীরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সামনে এগিয়ে যেতে চাইলে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ব্যানারের সঙ্গে থাকা বাঁশ ছুড়ে মারে। পরে পুলিশ মিছিলকারীদের লক্ষ্য করে ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের সহকারী কমিশনার (এসি) আবুল হাসান বলেন, বিএনপির মিছিল শেষে তারা বিক্ষিপ্তভাবে চলে যাওয়ার সময় রাজধানীর নাইটিঙ্গেল মোড়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে টিয়ার শেল ছোড়ে৷ এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করে পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে। তাদের যাচাই-বাছাই চলছে। তবে আটকের সংখ্যা এ মূহূর্তে বলা যাচ্ছে না।

এদিকে বিএনপির মিছিলকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই নয়াপল্টন এবং এর আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা এখন শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। আপনিও কি তাই মনে করেন?