কাজ দেওয়ার কথা বলে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৩০

সাহস ডেস্ক
গণধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গায় কাজ দেওয়ার কথা বলে দুই সন্তানের জননীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার আসমানখালি বাজারে একটি দোতলা বিল্ডিংয়ে এই গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে আলমডাঙ্গা থানায় এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতা ওই গৃহকর্মী।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার রাতেই পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার হয় অভিযুক্ত মুলাম হোসেন নামের একজন।

আসামিরা হলেন আলমডাঙ্গার শালিকা গ্রামের আবুছদ্দিনের ছেলে মুলাম হোসেন (৫০), বন্দরভিটা গ্রামের সন্টু আলীর ছেলে রিপন ওরফে লিপন (৩৫), শালিকা গ্রামের বারেক আলীর ছেলে হাসান আলী (৪০), জসিম উদ্দিনের ছেলে নাজিরুল ইসলাম (২৫), মহেশপুর গ্রামের তপেল বিশ্বাসের ছেলে মোহাম্মদ হাবু (৪২), নান্দবার গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে হামিদুল ইসলাম (৩৪) ও আসমানখালি গ্রামের মনসের আলীর ছেলে মিজানুর রহমান কলু (৪০) ও অজ্ঞাতনামা আরও একজন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শেখ মাহবুবুর রহমান।

জানা গেছে, স্বামীর সঙ্গে ওই নারীর বনিবনা না হওয়ায় দুই সন্তানকে নিয়ে পিতার বাড়িতে বসবাস করেন। অভাব-অনটনের কারণে মানুষের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ওই নারী বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করে জীবিকা চালাতেন। তিনি আসমানখালি গ্রামের মিজানুর রহমান কলু নামে এক ব্যক্তিকে কাজ খুঁজে দিতে বলেন। কলু তাকে আসমানখালি বাজারে যেতে বলেন। মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে ওই নারী আসমানখালি বাজারে গেলে তাকে কৌশলে নিয়ে যাওয়া হয় বাজারের একটি দোতালা ভবনে। সেখানে তাকে আটজন ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। আটজনকে আসামি করেই থানায় এজাহার দেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শক শেখ মাহবুবুর রহমান বলেন, বুধবার রাতে মামলা দায়েরের পর অভিযান পরিচালনা করে মুলাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিরা পলাতক অবস্থায় রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মামলা দেরিতে করার কারণ প্রসঙ্গে পরিদর্শক শেখ মাহবুবুর রহমান বলেন, ওই নারীর মা-বাবা কেউ বেঁচে নেই। আত্মীয়দের সঙ্গে আলাপ-পরামর্শ করে থানায় এসে মামলা করতে দেরি হয়েছে বলে তিনি এজাহারে উল্লেখ করেছেন।

সাহস২৪.কম/জেএস/এসকে.

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা এখন শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। আপনিও কি তাই মনে করেন?