ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডির বিরুদ্ধে গ্রাহকের মামলা

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:০০

সাহস ডেস্ক

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করেছে একজন গ্রাহক।

গতকাল বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে আরিফ বাকের নামে এক ভুক্তভোগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অভিযোগটি নিয়মিত মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন গুলশান থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) আনিন্দ্য।

মামলায় ইভ্যালি এমডি মোহাম্মদ রাসেলকে এক নম্বর আসামি ও চেয়ারম্যান শামীমাকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় ইভ্যালির আরও বেশকজন কর্মকর্তাকে 'অজ্ঞাতনামা' দেখিয়ে আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী আরিফ বাকের জানান, গত ২৯ মে থেকে জুন পর্যন্ত ইভ্যালির অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ৩ লাখ ১০ হাজার টাকার পণ্য অর্ডার করেন তিনি। যা নির্ধারিত সময়ে প্রতিষ্ঠানটি সরবরাহে ব্যর্থ হয়। ফলে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলার আবেদন করেন।

মামলার বিবরণীতে বলা হয়, ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে বাকের ও তার বন্ধুরা চলতি বছরের মে ও জুনে কিছু পণ্য অর্ডার করেন। এ বাবদ সব মূল্য বিকাশ, নগদ ও সিটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করেন। পণ্যগুলো ৭ থেকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে ডেলিভারি এবং নির্দিষ্ট সময়সীমায় সরবরাহে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠানটি সমপরিমাণ টাকা ফেরত দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ওই সময়সীমার মধ্যে সেগুলো ডেলিভারি না পাওয়ায় বহুবার সেটির কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধিকে ফোন করা হয়। সবশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ করে পণ্যগুলো পাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন তারা।

বিবরণীতে আরো বলা হয়, ৯ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির ধানমন্ডির কার্যালয়ে যান ভুক্তভোগীরা এবং এমডি রাসেলের সঙ্গে কথা বলতে চান। এতে ইভ্যালি সংশ্লিষ্টরা উত্তেজিত হয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। একপর্যায়ে কার্যালয়ের ভেতর থেকে প্রধান নির্বাহী (সিইও) রাসেল উত্তেজিত হয়ে বেরিয়ে এসে তাদের ভয়-ভীতি দেখান। পাশাপাশি পণ্য অথবা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

সাহাস২৪.কম/জেএস/এমআর

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা এখন শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। আপনিও কি তাই মনে করেন?