x

এইমাত্র

  •  লন্ড‌নে নিজ বাসা থেকে অর্থমন্ত্রীর জামাতার মরদেহ উদ্ধার
  •  নুরের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রযুক্তি আইনে শাহবাগ থানায় মামলা
  •  হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীরা দ্রুত মারা যাচ্ছেন: আইইডিসিআর
  •  জ্বর আসেনি, ভালো আছেন খালেদা জিয়া: চিকিৎসক
  •  লকডাউনের মেয়াদ আরও ৭ দিন বাড়তে পারে

করোনাভাইরাস

রাজধানীতে ছাত্র ইউনিয়ন-যুব ইউনিয়নের যৌথ ‘শ্রমজীবী ক্যান্টিন’

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২১, ১৯:৩১

সাহস ডেস্ক

সারাদেশে করোনা সংক্রামণ দিন দিন মারাত্মক হারে বাড়ছে। যার ফলে লকডাউন দেয়া হয়েছে। মাত্র দুই দিনের নির্দেশনায় এই লকডাউনের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে করুণ অবস্থায় আছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ, দিনমজুর। এই করোনাকালীন সময়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের সাধারণের অধিকার আদায়ের লড়াই-সংগ্রামের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন।

রাজধানীর পুরাণা পল্টনের মুক্তি ভবনে তারা খুলেছে ‘শ্রমজীবী ক্যান্টিন’। আজ মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া এই ক্যান্টিন চলবে পুরো করোনাকালীন সময় জুড়ে। রিক্সা শ্রমিক, ভ্যান শ্রমিকদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষ যাচ্ছে সেখানে খাবারের জন্য। সেখানের সকল ধরণের কাজ করছেন ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন কর্মীরাই। বাজার করা থেকে শুরু করে রান্না করে শ্রমিকের হাতে খাবার তুলে দেওয়া পর্যন্ত সমস্ত কাজই করছেন কাঁধেকাঁধ মিলিয়ে। এই সংকটতম সময়ে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষের ভরসা-ভালবাসা জায়গার স্থানে আছেন তারা।

‘শ্রমজীবী ক্যান্টিন’ সম্পর্কে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল বলেন, ছাত্র ইউনিয়ন শিক্ষা সংকট নিয়ে লড়াই সংগ্রামের পাশাপাশি যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতেও দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছে। করোনাকালীন সময়কালে সবচাইতে বেশি কষ্টে থাকেন নিম্নআয়ের এই মানুষ গুলো, আমরা ছাত্র ইউনিয়ন ইতিহাস অর্পিত দায়িত্ব থেকে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। সর্বোচ্চটুকু দিয়ে এই মানুষদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

যুব ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকুল ইসলাম জুয়েল বলেন, লকডাউন অবশ্যই জরুরী ছিলো, কিন্তু সেই সাথে আরো জরুরী ছিলো খাদ্য। জনগণের খাদ্য নিশ্চিত না করলে জনগণ ঘর থেকে বের হতে বাধ্য হবে, এরফলে স্বাস্থ্য সুরক্ষাও নিশ্চিত থাকে না। কোনো ভাবেই না খেয়ে ঘরে বসে থাকা সম্ভব না। জনগণ তার খাদ্য নিশ্চিত করতেই রাস্তায় নামছে।

তিনি আরো বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে গিয়ে অনাহারে যেন মানুষকে না মরতে হয় সেই দিকে সরকারকে লক্ষ্য রেখে অবশ্যই ঘরে ঘরে খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। করোনাকালীন সময়ের বেকারত্বের হার আবারও বাড়বে, তাই করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় বেকারদেরকে বেকার ভাতা ও করোনা পরবর্তী সময়ে চাকরীর নিশ্চয়তা দিতে হবে।

উল্লেখ্য গতবছরে করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন উভয়েই জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ, ঘরে ঘরে রেশন পৌঁছানোর মতো কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন এর যৌথ উদ্যেগের এই ‘শ্রমজীবী ক্যান্টিন’ এ সাহায্য পাঠানোর মোবাইল নম্বর সমূহঃ

০১৭৫৪-১৭৮৮১৪ বিকাশ পার্সোনাল
০১৭১০-২০৮০৪৪ বিকাশ পার্সোনাল
০১৯১৩-৩৮৩৮৪০ বিকাশ পার্সোনাল
০১৬৪৬-৭৩৭০৬৪৯ রকেট পার্সোনাল

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত