x

এইমাত্র

  •  ১৭-২৩ মে ‘লকডাউন’, প্রজ্ঞাপন জারি

ঢাকায় পৌঁছেছে নতুন উড়োজাহাজ ‘শ্বেতবলাকা’

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২১, ০২:০০

সাহস ডেস্ক

বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জিটুজি ভিত্তিতে ক্রয় করা তিনটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজের তৃতীয় উড়োজাহাজটি শুক্রবার বিকাল ৫টা ৩৬ মিনিটে দেশে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই উড়োজাহাজের নাম রেখেছেন  ‘শ্বেতবলাকা’।

নতুন ক্রয় করা তিনটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজের প্রথমটি ‘ধ্রুব তারা’ ২০২০ সালের ২৭ ডিসেম্বর  বিমান বহরে যুক্ত হয় এবং দ্বিতীয় উড়োজাহাজ ‘আকাশ তরী’ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশে পৌঁছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে নতুন উড়োজাহাজটি গ্রহণ করেন। এ সময় এভিয়েশন ফ্যানফেয়ারের অংশ হিসেবে উড়োজাহাজটিকে ওয়াটার ক্যানন স্যালুট দিয়ে স্বাগত জানানো হয়।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মাহবুব আলী বলেন,  প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। দেশের সকল সেক্টরের উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সেও ঢেলে সাজানো হচ্ছে। বিমানের বহরকে আধুনিকায়ন ও সেবার মান বৃদ্ধি করা হয়েছে। তার অংশ হিসেবেই নতুন উড়োজাহাজ ‘শ্বেতবলাকা’ আজ দেশে এসেছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকীতে তার জন্মদিন উদযাপনের পূর্বে এই মার্চ মাসে উড়োজাহাজটি দেশে পৌঁছায় আমরা আনন্দিত। আশা করি আগামী ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ‘আকাশ তরী’ ও ‘শ্বেতবলাকা’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে এই ড্যাশ- ৮ উড়োজাহাজগুলো যুক্ত হওয়ার ফলে বিমান তার অভ্যন্তরীণ , স্বল্প দুরত্বের আন্তর্জাতিক রুট ও আঞ্চলিক রুট গুলোতে ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি করবে। একই সাথে অভ্যন্তরীণ ও স্বল্প দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রীদের আরো উন্নত ইন-ফ্লাইট সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে।

কানাডার বিখ্যাত এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড নির্মিত অত্যাধুনিক নতুন ড্যাশ ৮-৪০০ চুয়াত্তর সিট সম্বলিত উড়োজাহাজ। পরিবেশবান্ধব এবং অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ এ উড়োজাহাজে রয়েছে হেপা ফিল্টার প্রযুক্তি যা মাত্র ৪ মিনিটেই ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসসহ অন্যান্য জীবাণু ধ্বংসের মাধ্যমে উড়োজাহাজের অভ্যন্তরের বাতাসকে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ করে যা যাত্রীদের যাত্রাকে করে তোলে অধিক সতেজ ও নিরাপদ।

এছাড়াও এ উড়োজাহাজে বেশি লেগস্পেস, এলইডি লাইটিং এবং প্রশস্ত জানালা থাকার কারনে ভ্রমণ হয়ে উঠবে অধিক আরামদায়ক ও আনন্দময়।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নতুন উড়োজাহাজটি বহরে যুক্ত হওয়ার পর উড়োজাহাজের সংখ্যা হবে ২১টি । তার মধ্যে ১৬ টি নিজস্ব এবং ৫টি লীজ। নিজস্ব ১৬টির মধ্যে বোয়িং৭৭৭-৩০০ ইআর ৪টি, বোয়িং ৭৮৭-৮ ৪টি, বোয়িং ৭৮৭-৯ ২টি, বোয়িং ৭৩৭ ২টি এবং ড্যাশ-৮ ৪টি।

প্রতিমন্ত্রীর সাথে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো মোকাম্মেল হোসেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদুল হাসান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত