x

এইমাত্র

  •  ১৭-২৩ মে ‘লকডাউন’, প্রজ্ঞাপন জারি

আজিমপুর কবরস্থানে লেখক মুশতাকের দাফন সম্পন্ন

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০১:৪৮

সাহস ডেস্ক

রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে লেখক মুশতাক আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় তার পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। জানাজার পর মুশতাকের বাবা আব্দুর রাজ্জাক ছেলের বিদেহী আত্মার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) লালমাটিয়ার ‘সি’ ব্লকের মিনার মসজিদে জানাজা শেষে রাত পৌনে ১০টার দিকে তাকে দাফন করা হয়।

স্বজনরা জানিয়েছেন, মুশতাক আহমেদের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে যারা মারা গেছেন তাদেরও আজিমপুরে দাফন করা হয়েছিল।

জানাজার পর মুশতাকের বাবা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তার ছেলে যদি কোনো অন্যায় করে থাকে, তবে যেনে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

এদিকে বেশ কয়েক মাস ধরে অসুস্থ মুশতাক আহমেদের স্ত্রী লিপা আক্তার। মুশতাকের মৃত্যুর সময় তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাবন্দী লেখক মুশতাক আহমেদ (৫৩) বৃহস্পতিবার রাতে মারা যান। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে ছিলেন। কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, সন্ধ্যায় কারাগারের ভেতর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মুসতাক আহমেদ। এ সময় তাকে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মুসতাক আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন।

গত বছরের মে মাসে লেখক মুশতাক আহমেদ, কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ইসলাম ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মিনহাজ মান্নানকে র‍্যাব গ্রেপ্তার করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কথাবার্তা ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তারাসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে র‍্যাব। সেই মামলায় দুজন জামিনে মুক্তি পেলেও মুশতাক ও কিশোরের জামিন আবেদন ছয়বার নাকচ হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত