x

এইমাত্র

  •  করোনায় রেকর্ড ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
  •  করোনায় সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৮৮ হাজার ২৪৪ জন
  •  করোনায় বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ৬৫ লাখের অধিক, সুস্থ হয়েছেন ৩১ লাখেরও বেশী
  •  বাংলামোটরে বাসচাপায় প্রাণ গেল দুজনের
  •  করোনাভাইরাসঃ বাংলাদেশে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৪২৩ জনের

সুলতানা পারভীনসহ চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০২০, ১৬:৩৬

সাহস ডেস্ক

কুড়িগ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ঢাকা ট্রিবিউন সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে তুলে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া কারাদণ্ডের ঘটনায় প্রত্যাহার হওয়া কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোছা. সুলতানা পারভীনসহ জেলা প্রশাসনের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, এ জন্য ১০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন।

এর আগে ১৫ ও ১৬ মার্চ ওই চার কর্মকর্তাকে কুড়িগ্রাম থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। সুলতানা পারভীন ছাড়া বাকি কর্মকর্তারা হলেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের সাবেক সিনিয়র সহকারী কমিশনার (আরডিসি) নাজিম উদ্দিন, সহকারী কমিশনার রিন্টু বিকাশ চাকমা ও এস এম রাহাতুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১৩ মার্চ) কুড়িগ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ঢাকা ট্রিবিউন সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে তুলে নিয়ে একবছরের জেল দিয়েছে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট। দুই থেকে তিনজন ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১৫-১৬ জন আনসার সদস্য দরজা ভেঙে আরিফুলের বাড়িতে ঢুকে তাকে তুলে নিয়ে যায়।

পরিবারের সদস্য জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ করে বাড়ির গেটে ধাক্কাধাক্কির শব্দ পান তারা। এসময় দরজা না খুললে তা ভেঙ্গে ফেলা হবে বলেও তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়। সেসময় কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি মাহফুজার রহমানকে ফোন করা হলে ওসি জানান, থানা থেকে কোনও পুলিশ সেখানে যায়নি, কারা গেছে বিষয়টি দেখছেন তিনি। একপর্যায়ে দরজা ভেঙ্গে ৭ থেকে ৮ জন সাদা পোশাকধারী তাদের বাসায় প্রবেশ করে দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে আরিফুলকে মারতে মারতে ঘরের বাইরে নিয়ে যায়। এরপর আরিফুল তাদের কাছে কারণ জানতে চাইলে তারা আবারও তাকে মারধর করে। এরপর তাকে সরাসরি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরিফুল ইসলাম তার স্ত্রীকে জানান, মধ্যরাতে তাকে বাসা থেকে জোর করে তুলে আনার পথে জেলা প্রশাসক কার্যালয় পর্যন্ত লাথি-থাপ্পড়, ঘুষি মারতে মারতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে প্রথমে তার দুই চোখ কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর প্যান্ট ও গেঞ্জি খুলে তাকে উলঙ্গ করে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। এসব দৃশ্য ভিডিও করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত