x

এইমাত্র

  •  করোনা: ৭৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা
  •  করোনায় অর্থনীতির প্রভাব নিয়ে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী
  •  তাবলীগ জামাতে আসা মুসল্লি করোনা আক্রান্ত, পৌর এলাকা লকডাউন
  •  আইসোলেশন শেষে স্ত্রী-কন্যার কাছে ফিরেছেন সাকিব
  •  যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রেকর্ড, একদিনে প্রাণ গেল ১২২৪ জনের

এনামুল-রুপনের ছোট্ট বাসায় ৫ সিন্দুকভর্তি টাকা, স্বর্ণালঙ্কার

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪:০২

সাহস ডেস্ক

বহিস্কৃত দুই আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়ার পুরান ঢাকার একটি বাড়ি থেকে পাঁচটি সিন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে। ওই সিন্দুকে রয়েছে নগদ ১৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া পুরান ঢাকার ছয়তলা ভবনের নিচতলার ছোট্ট ওই বাসা থেকে ৫ কোটি টাকার এফডিআর, বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার ও ক্যাসিনোর সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) র‍্যাব-৩ এর অপারেশন অফিসার এ বি এম ফাইজুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম জানান, যে কয়টি সিন্দুক রয়েছে সেগুলো কোটি টাকায় ভর্তি। তবে অভিযানে কাউকে আটক করা যায়নি।

র‌্যাব বলছে, ওই স্ট্রিটে এনামুল ও রূপন ভূঁইয়ার ছয়টি বাসার সন্ধান পাওয়া গেছে। গত রাতে অভিযান চালানো ওই বাসার তিনতলায় এনামুল ও রূপনের এক ভাইয়ের স্ত্রী থাকেন। গলির ওই বাসার সামনে এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়।

র‍্যাব-৩ এর অপারেশন অফিসার এ বি এম ফাইজুল ইসলাম জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার মধ্যরাতে ঢাকার লালমোহন সাহা স্ট্রিটে এনামুল ও রুপনের ৬ তলা বাড়ির নিচতলায় অভিযান শুরু করে র‍্যাব। অভিযানে ৫টি ট্যাংকে রাখা নগদ ১৫ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়, ৫ কোটি টাকার এফডিআর উদ্ধার করা হয়। এই বাড়িটিও তাদের মালিকানাধীন।

সারোয়ার আলম জানান, বাসাটি খুব ছোট আকারে। এখানে মাত্র একটি চৌকি আছে। এটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার একটি বাসা। ধারণা করা হচ্ছে, এ বাসায় টাকা রেখে কেউ এর পাহারায় থাকতেন। তবে এখান থেকে কাউকে আটক করা যায়নি।

প্রসঙ্গত, এনামুল হক এনু ও রূপন ভূঁইয়া এখন কারাগারে। গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর তাদের বাসায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ কোটি টাকা এবং সাড়ে সাত কেজি সোনা উদ্ধার করা হয়। এরপর সূত্রাপুর ও গেন্ডারিয়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়।

এনামুল ও রূপন গত ছয় থেকে সাত বছরে পুরান ঢাকায় বাড়ি কিনেছেন কমপক্ষে ১২টি। ফ্ল্যাট কিনেছেন ৬টি। পুরোনো বাড়িসহ কেনা জমিতে গড়ে তুলেছেন নতুন নতুন ইমারত। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, এই দুই ভাইয়ের মূল পেশা জুয়া। নেশা হলো বাড়ি কেনা।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত