x

এইমাত্র

  •  হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী’র মৃত্যু

সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:৫৭

সাহস ডেস্ক

সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়া, এরশাদ ও খালেদার ২৯ বছরের অপশাসনের ফলে সৃষ্ট দুর্নীতি, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধিগুলো দেশ থেকে দূর করতে সরকারের অভিযান চলমান থাকবে।

রবিবার (২ ডিসেম্বর) মাদ্রিদে প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে দূতাবাসের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর জিয়াউর রহমান, এইচএম এরশাদ ও খালেদা জিয়ার ২৯ বছরের অপশাসন সমাজে নোংরা, আবর্জনা সৃষ্টি করেছে। মানুষের মাঝে নৈতিক অবক্ষয় রয়েছে...সমাজের অসুস্থতা আমাদের নিরাময় করতে হবে। অসৎ ব্যক্তিরা ঘুষ, দুর্নীতি, লুণ্ঠন ও সন্ত্রাসের মতো অসাধু উপায়ে অর্থ উপার্জন করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর মতে, এ অর্থের মালিকরা নিজেদের মহান মানুষ ভাবছেন। এমন মানসিকতা সমাজ থেকে দূর করতে হবে। বর্তমান সরকার গত ১০ বছরে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি নেয়ার ফলে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলাদেশের অগ্রগতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের প্রশংসাও করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুন্দর জীবন নিশ্চিত করতে তার সরকার পরিকল্পিতভাবে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে।

জিয়াউর রহমান, এইচএম এরশাদ ও খালেদা জিয়ার কঠোর সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা সবাই যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রশ্রয় দিয়েছেন এবং দেশের সত্যিকারের ইতিহাস মুছে দিতে তাদের ক্ষমতায় বসিয়েছেন। তারা যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শাস্তি দেয়ার বদলে পুরস্কৃত করেছেন, যা দেশকে অরাজকতার দিকে ঠেলে দেয়।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতাকে হত্যার মাধ্যমে দেশের সত্যিকারের ইতিহাস মুছে ফেরার উদ্যোগ ছিল। ‘এমনকি তারা কাউকে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজাতে দিত না। ইতিহাসকে মুছে ফেলা যায় না...ইউনেসকো এ ভাষণকে স্বীকৃতি দিয়েছে।’

২০০৯ সালের পর থেকে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন দেশের ৯৪ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় রয়েছে। সেই সাথে জিডিপির প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশে। 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্পেনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও বিশ্ব পর্যটন সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হাসান মাহমুদ খন্দকার। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

স্পেন আওয়ামী লীগ, অল ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ এবং ইউরোপের নানা দেশের আওয়ামী লীগ নেতারা অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত