x

এইমাত্র

  •  দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও নয়জন, মৃত ২
  •  চট্টগ্রামে প্রথম করোনা শনাক্ত; ৩ চিকিৎসকসহ ১৮ জন কোয়ারেন্টিনে
  •  ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে পোশাক শ্রমিকদের ঢল
  •  রোববারের মধ্যে ১০ টাকা চালের বেনামি কার্ড জমা দেয়ার নির্দেশ
  •  করোনা মোকাবিলায় নৌযানে আইসোলেশন সেন্টার করা হবে

খালেদার মুক্তির দাবিতে অনশনরত অবস্থায় মারা গেলেন রিজভী হাওলাদার

প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০১৯, ১৩:৫৮

সাহস ডেস্ক

কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে অনশন করতে করতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন রিজভী হাওলাদার। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান রাতে রিজভী হাওলাদারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) দিনগত রাতে ঢাকার নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকের বাইরে অনশনরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

পটুয়াখালীর বাউফলের ছোট্টকান্দা গ্রামে রিজভীর জন্ম। তার বাবার নাম আজহার হাওলাদার। ছোটবেলা থেকেই তিনি নারায়ণগঞ্জের কুতুবপুরে বসবাস করতেন। প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে নিয়মিত নারায়ণগঞ্জ থেকে তিনি দলীয় কার্যালয়ে আসতেন শুধু দল ও জিয়া পরিবারকে ভালোবেসে।

ছাত্রদলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী বলেন, খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর থেকেই তিনি নিয়মিত নিজে না খেয়ে সেই টাকা দিয়ে ম্যাডামের জন্য খাবার নিয়ে ফল কিনে নিয়ে কারাগারের গেটে দাঁড়িয়ে থাকতেন। কান্না করতেন। নিয়মিত না খেয়ে কাফনের কাপড় পরে নেত্রী বের না হলে জীবন দিয়ে দেবেন বলে ঘুরে বেড়াতেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, রিজভী হাওলাদার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিকটস্থ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে তার অবস্থা গুরুতর মনে হলে ডাক্তাররা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নেওয়ার পথে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে তিনি পড়ে যান এবং শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী বলেন, সন্ধ্যা ৭টায় কার্যালয়ের গেটে তার সঙ্গে আমার শেষ কথা হয়। তখন তিনি বলছিলেন, ম্যাডামের জন্য কোনো নেতা কিছু করেন না। আমার নেত্রীকে জেলে রেখে নেতারা মেরে ফেলবেন। এভাবে হয় না, সবাই মুখে মুখে বলে নেত্রীর জন্য, আসলে কাউকেই কিছু করতে দেখি না। সবাই নিজের কথা ভাবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত