x

এইমাত্র

  •  গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় নতুন সংক্রমিত ২৬৮৬ জন, মৃত ৩০ জন
  •  সাহেদকে ‘সমাজসেবক’ ভাবতেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা!
  •  মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃত্যু ৫ লাখ ৬৩ হাজার, আক্রান্ত ১ কোটি ২৬ লাখেরও বেশি
  •  মায়ের কবরেই সমাহিত হলেন সাহারা খাতুন

ছাত্ররাজনীতি বুয়েটে নিষিদ্ধ করা উচিত: বুয়েট ছাত্রকল্যাণ পরিচালক

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০১৯, ১৩:১৭

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ক্যাম্পাসে এলে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বুয়েট ক্যাম্পাসে গিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন।

বুয়েট শহীদ মিনারের সামনে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা তাকে ঘিরে ধরেন। এ সময় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা মিজানুর রহমানের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে নানা রকম প্রশ্ন করতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা তাকে ‘ভুয়া, ভুয়া, পদত্যাগ, পদত্যাগ’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

শিক্ষার্থীরা তার কাছে জানতে চান, রাত ২টার সময় হলে পুলিশ ঢুকলো কীভাবে? এ প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, সেটা হলের প্রভোস্টকে জিজ্ঞেস করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা তার পদত্যাগের দাবি জানান।

শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তোলেন, আমাদের (শিক্ষার্থী) দায়িত্ব কে নেবে? আমরা হলের ছেলেরা অনিরাপত্তায় ভুগছি, কোথায় যাব, আবরার মারা যাওয়ার আগে পুলিশ কীভাবে হলে প্রবেশ করল? কে পুলিশকে খবর দিয়েছে? এছাড়াও বুয়েট থেকে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করার দাবি তোলেন শিক্ষার্থীরা।

অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, আমার মনে হয় না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির কোনো প্রয়োজন আছে। বিশেষ করে বর্তমান প্রেক্ষাপটে। বুয়েটেও নিষিদ্ধ করা উচিত।

বুয়েটের ভিসি শিক্ষার্থীদের মাঝে এখনো কেন আসেননি? এমন প্রশ্নে মিজানুর রহমান ভিসিকে মোবাইল ফোনে কল দেয়ার চেষ্টা করলেও যোগাযোগ করতে পারেননি।

উল্লেখ্য, বুয়েটের ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরারকে (২১) রবিবার রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলের সিঁড়ি থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এর আগে ছাত্র শিবিরের সাথে সম্পর্ক থাকার সন্দেহে আবরারকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে মারধর করেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী। এ ঘটনায় সিটিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা নিয়ে পুলিশ ছাত্রলীগের নয় নেতা-কর্মীকে আটক করেছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত