x

এইমাত্র

  •  করোনায় আরও ৩৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৪০১৯
  •  খাবারের বিল বিতর্ক: খরচের হিসাব দিল ঢাকা মেডিকেল কর্তৃপক্ষ
  •  মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃত্যু ৫ লাখ ১৮ হাজার, আক্রান্ত ১ কোটিরও বেশি
  •  কানাডায় বিদেশি পর্যটক ঢোকার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে
  •  কারিগরির ডিপ্লোমায় ভর্তি হতে পারবেন সব বয়সীরা

অরিত্রীর আত্মহত্যা, দুই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০১৯, ১৩:৪৬

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীকে (১৫) আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় দুই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালত আগামী ২৭ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন।

বুধবার (১০ জুলাই) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ মামলার বিচার শুরু হলো। 

অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন, ভিকারুননিসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস ও শাখাপ্রধান জিনাত আক্তার।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে চার্জশিট দিয়েছেন আদালত তা গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে শ্রেণি-শিক্ষিকা হাসনা হেনাকে অব্যাহতির আবেদনও আদালত মঞ্জুর করেন।

আদালতে শিক্ষকদের পক্ষে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ কাজল অব্যাহতির আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে সাবিনা ইয়াসমিন (দিপা) এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী সবুজ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের কাছে জানতে চান, তারা দোষী না নির্দোষ। জবাবে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার দাবি করেন। এরপর বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ৩ ডিসেম্বর রাজধানীর শান্তিনগরের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয় শিক্ষার্থী অরিত্রী। পরে ভিকারুননিসার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে।

ঘটনার পরদিন রাজধানীর পল্টন থানায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আক্তার ও শ্রেণি-শিক্ষিকা হাসনা হেনার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগে অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, অরিত্রীর স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা চলার সময় তার কাছে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এ জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের (বাবা-মা) ডেকে পাঠায়। ৩ ডিসেম্বর স্কুলে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ আমাদের জানায়, অরিত্রি মোবাইল ফোনে নকল করছিল, তাই তাকে বহিষ্কারের (টিসি) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ মেয়ের সামনে আমাকে (বাবা) অনেক অপমান করে। এই অপমান এবং পরীক্ষা দিতে না পারার মানসিক আঘাত সইতে না পেরে সে (অরিত্রী) আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। বাসায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত