bangladesh-38072-%E0%A7%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A7%A7%E0%A7%AF-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%96-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%8F-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87 ২ কোটি ১৯ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

২ কোটি ১৯ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

প্রকাশ | ১২ জুলাই ২০১৮, ১৬:০৫

অনলাইন ডেস্ক

১৪ জুলাই শনিবার ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২ কোটি ১৯ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ৬-১১ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে নীল রংয়ের ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে লাল রংয়ের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা একই সঙ্গে শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর থেকে মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোসহ অন্যান্য পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হবে। এই ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর ফলে শিশু রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা পায়। তবে শুধু রাতকানা রোগ থেকেই নয়, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের আরো বহুবিধ উপকার করে। এর মধ্যে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

ডা. জাহিদ মালেক বলেন, শনিবার দেশজুড়ে এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রসহ অতিরিক্ত আরো ২০ হাজার ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ক্যাম্পে কমপক্ষে দুইজন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করবে। বিশ্বের আর কোনো দেশে এত সংখ্যক শিশুকে এক সঙ্গে এভাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় না। এই ক্যাম্পেইন পর্যালোচনার জন্য ক্যাম্পেইনের দিন প্রতিটি উপজেলায়, জেলায় ও কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনও ধরনের গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না। ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ালে কোনও শিশু অসুস্থ হয় না। ভিটামিন এ শিশুদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে, শিশুর মৃত্যুর হার কমায় ও শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করে। এছাড়া ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও হামের জটিলতা কমায়। তবে কোনও অবস্থায়ই অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াবেন না।